
ভোলার চরফ্যাশনে জমি, বসতঘর, মার্কেট, টাকা আত্মসাৎ, হামলা ও মিথ্যা মামলা দেয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, চরফ্যাশন উপজেলার ওমরপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের জাফরউল্লাহ নামের এক সৌদি প্রবাসী।
এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, বউ বাচ্চাদের ভালো রাখতে জীবিকার তাগিদে আমি প্রায় ২২ বছর প্রবাসে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, টাকা রোজগার করে স্ত্রী মমতাজ বেগমের ব্যাংক একাউন্টে পাঠাতাম। কিন্তু বিশ্বাস ঘাতক ও প্রতারক মমতাজ বেগম সে টাকাগুলো আমার কাজে না খাটিয়ে তার বাবা, ভাই ও অন্যান্য দের সাথে হাত মিলিয়ে আত্মসাৎ করে। অন্যদিকে মমতাজ বেগম আমার ছোট ভাই ছালাউদ্দিনসহ বিভিন্ন লোকের সাথে পরকীয়া প্রেমে লিপ্ত হয়। এ সব ব্যাপারে তাকে একাধিকবার সাবধান করলেও সে পরিবর্তন হয়নি। পরে আমি তাকে সরকারি আইন মোতাবেক তালাক দিতে বাধ্য হই। এরপর সে আরো বে-পরোয়া হয়ে ওঠে । এরপর মমতাজ ছালাউদ্দিন, আলাউদ্দিন, ফজলু, রহমত ভূইয়া, জামাই জিয়ারুল ইসলাম টিটু, রিপন, শিপন, কালা মিজান, মোহতাসীন, জুয়েলসহ ততকালীন আওয়ামী লীগের একদল ক্যাডার বাহিনীকে সাথে নিয়ে আমার ক্ষতি করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকে । অন্যদিকে মমতাজ কারখানা করার জন্য আমার বাসায় রাখা, আমার ক্রয়কৃত লাখ লাখ টাকার মালামাল আমার শত্রুদের সাথে হাত মিলিয়ে বিক্রি করে দেয় । অন্যদিকে উল্লেখিত শত্রুরা আমার রাইস মিল, মার্কেট, ক্রয়কৃত সকল জমিগুলো দখল করে নেয়। আওয়ামী লীগের এই ক্যাডার বাহিনী আমার উপর একাধিকবার হামলা ও আমাকে লাঞ্ছিত করে। এ কুচক্রী মহলের পেশী শক্তির কারণে বর্তমানে আমি আমার লাখ লাখ টাকায় নির্মিত বাড়িতে থাকতে পারছিনা। অন্যদিকে আমার ক্রয়কৃত জমি ও মার্কেটে আমি যেতে পারছি না। তাছাড়া আমার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী আমার নামে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। অন্যদিকে আমার বড় জামাই জিয়ারুল ইসলাম টিটু আমার স্বাক্ষর জাল করে আমার নামে একটি মিথ্যা চেক ডিজ-অনার মামলা দায়ের করে। ইতপূর্বে এ কুচক্রী মহল, ক্যাডার বাহিনী আমার উপর হামলা চালায় ও আমাকে হত্যার চেষ্টা করে। বর্তমানে আমি খুবই নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। ভুক্তভোগী প্রবাসী জাফর উল্লাহ অভিযোগ করে আরো বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সে উল্লেখিত ক্যাডার বাহিনীর ভয়ে এলাকায় যেতে পারতেন না। তারা তখন থেকে এখন পর্যন্ত জাফরুল্লাহ কে এলাকা ছাড়া করার জন্য এবং তার অর্জিত সম্পত্তি দখল করে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
এমতাঅবস্থায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন, প্রবাসী জাফরুল্লাহ।
এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের সাথে কথা বললে, তারা অভিযোগ অস্বীকার করেন।