1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কালীগঞ্জে পিআইও কার্যালয় ঘিরে নানা অভিযোগ প্রকল্পের কাজ, বরাদ্দ ও বিল প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি চরফ্যাশনে ওমরপুরে স্ত্রী’র পরকীয়ায় প্রবাসী স্বামীর মানবেতর জীবন বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিবেচনায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রাজনীতির অন্যতম প্রধান উজ্জীবক। বরিশালে ওষুধ কারখানা বন্ধ ঘোষণা, দিনভর শ্রমিকদের বিক্ষোভ ভোলায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ভোলা-বরিশাল সেতু দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি মাহিন্দ্রাকে সাইড দিতে গিয়ে বরিশালে বাস খাদে, অল্পের জন্য রক্ষা ৩৫ যাত্রী ভোলায় ডিবেট ক্লাবের আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা নদীভাঙন রোধ প্রকল্প: মেহেন্দীগঞ্জে ১৪, হিজলায় মাত্র ১ ভোলায় সাবেক ছাত্রলীগ সম্পাদক রিয়াজকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ

এলডিপিকে আসন দেওয়া হলেও মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি জামায়াত প্রার্থী

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২১০ বার পড়া হয়েছে

নিচে আপনার দেওয়া তথ্যের আলোকে **সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে**, **প্রথম আলো / যুগান্তর–ধাঁচের**, **ওয়েবসংস্করণের উপযোগী** একটি পরিমার্জিত ও নিরপেক্ষ **নিউজ রিপোর্ট** দেওয়া হলো—

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী জোটে ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন–দৌলতখান) আসন নিয়ে চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আসনটি লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) পেলেও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় জোটের ঐক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জোটের আরেক শরীক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. আব্দুস সালাম তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলেও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফজলুল করিম নির্বাচনে বহাল থাকেন। ফলে বহুল আলোচিত এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাফিজ ইব্রাহিমের বিপরীতে একই জোটের দুই প্রার্থী—জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ ফজলুল করিম ও এলডিপির মোকফার উদ্দিন চৌধুরী—নির্বাচনী মাঠে রয়ে গেলেন।

রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর ভোলা-২ আসনে বর্তমানে মোট সাতজন বৈধ প্রার্থী রয়েছেন। এ ছাড়া হাইকোর্টে আপিলের মাধ্যমে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মহিবুল্লাহ খোকন তার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

জোটের আসন বণ্টনের তালিকা অনুযায়ী, গত ১৫ জানুয়ারি এলডিপির জন্য বরাদ্দ সাতটি আসনের একটি ছিল ভোলা-২। সে অনুযায়ী এলডিপির পক্ষে মোকফার উদ্দিন চৌধুরী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন এবং ঘোষণার পর থেকে তিনি নির্বাচনী কার্যক্রমে আগের চেয়ে বেশি সক্রিয় হন। তবে সাংগঠনিক শক্তি ও স্থানীয় জনপ্রিয়তায় এগিয়ে থাকা জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

এদিকে আসন এলডিপিকে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পরও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফজলুল করিমের নির্বাচনী তৎপরতা আগের মতোই অব্যাহত ছিল। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনকে ঘিরে নানা জল্পনা-কল্পনার মধ্যেও শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াননি।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমরা ১০ দলীয় ঐক্যের সঙ্গে আছি। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছি।’

এলডিপির প্রার্থী মোকফার উদ্দিন চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, ‘জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার কথা ছিল। বিষয়টি দলের সভাপতিকে জানানো হবে।’

এ বিষয়ে এলডিপির জেলা সভাপতি বশির আহাম্মদ বলেন, ‘বিষয়টি কেন্দ্রকে অবহিত করা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফজলুল করিম বলেন, ‘আমাকে কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আমরা নির্বাচনী আচরণবিধি মেনেই কার্যক্রম চালাচ্ছি।’

তবে জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা হারুন অর রশিদ জানান, ‘মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের বিষয়টি প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা আমিরকে জানানো হয়েছে। এরপরও যদি কেউ প্রত্যাহার না করেন, তার দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্টদের।’

আসন বণ্টনের পরও সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারায় ভোলা-২ আসনের সাধারণ ভোটাররা বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই দ্বন্দ্ব নির্বাচনী মাঠে জোটের অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট