
২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের বিজয়ীর নাম আজ (শুক্রবার) ঘোষণা করা হবে। তবে এবারের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—যার নোবেল প্রার্থিতাকে ঘিরে বিতর্ক ও প্রচারণা পুরস্কার ঘোষণার আগেই আলোচনায় ছাপ ফেলেছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি ইতোমধ্যে এবারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে, যা নেওয়া হয়েছে গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ধাপের চুক্তির আগেই। ফলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পক্ষে পুরস্কার পাওয়া এই বছর সম্ভব নয়।
এ বছরের পুরস্কারের জন্য প্রায় ৩০০-এর বেশি ব্যক্তি ও সংস্থার মনোনয়ন জমা পড়েছে। এর মধ্যে শান্তি প্রচেষ্টা, মানবিক কাজ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং গণতন্ত্র রক্ষায় ভূমিকা রাখার কারণে বেশ কয়েকজন প্রার্থী আলোচনায় আছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক অস্থিরতা, ইউক্রেন যুদ্ধ, এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে নোবেল কমিটি এমন কাউকে বেছে নিতে পারে যিনি “সহনশীলতা ও কূটনৈতিক সমাধান” এর প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হবেন।
অন্যদিকে, ট্রাম্পের সমর্থকরা তার মধ্যপ্রাচ্য নীতিকে “শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ” হিসেবে প্রচার করলেও, সমালোচকরা একে রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ বলেই দেখছেন।
নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রতি বছর নরওয়ের অসলো শহরে ঘোষণা করা হয়, এবং বিজয়ীকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করা হবে ডিসেম্বরে।