
৫ই আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর থেকেই সারাদেশে শুরু হয়ে তাণ্ডব। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাকর্মীর বাড়িঘর ভাঙচুর ও জ্বালাও পোড়াও করার পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িতেও বিভিন্ন ধরনের হামলা হয়।সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পাড়ি জমায় ভারতীয় সীমান্তের কাছে। অনেক অনুনয় বিনয় করে ভারতীয় বিএসএফের কাছে আশ্রয়ের জন্য। সীমান্তবর্তী বাংলাদেশী জনগণ ও বিডিআর সংখ্যালঘুদের বুঝিয়ে বাড়িতে ফেরানোর চেষ্টা করছে।
যদিও বিভিন্ন এলাকার বিএনপি ও জামাতের নেতারা এলাকায় বিভিন্ন ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিহত করে আসছে এবং এলাকা পাহারা দিয়ে আসতেছে এদের এই কর্মকাণ্ড সত্যিই অতুলনীয়। তারা অভয় দিয়ে বলতেছে যে আপনারা সজাগ ও সতর্ক থাকুন বাকি বিষয় আমরা দেখতেছি এবং তারা সারারাত জেগে জেগে পাহারা দিয়ে বেড়াচ্ছেন। বিএনপি ও জামাতের নেতারা বরাবরই বলে আসতেছেন যে এটা আমাদের দলীয় কোন নেতাকর্মীর কাজ নয় আসলে এটা কোন লুটতরাজ পার্টির কাজ আপনারা সহযোগিতা করুন আমরা শক্ত হাতে লুরতরাজদের প্রতিহত করব।
গতকাল বুধবার ও আজ বৃহস্পতিবার দেবিগঞ্জ উপজেলার ভাউলাগঞ্জ নামক সীমান্তবর্তী এলাকা ও বোদা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা এবং পঞ্চগড় সদরের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় দেখা যায় হাজার হাজার মানুষের আনাগোনা তাদের অনেকের সাথেই কথা বলে জানা যায় তারা অনেক নির্যাতনের শিকারের বসবর্তী হয়ে আর বাংলাদেশে থাকতে চান না তারা ভারত সরকারের কাছে আশ্রয় চায়