1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পটুয়াখালীতে গৃহবধূ তানিয়া হত্যা: অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন বাউফলে পৃথক অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার পটুয়াখালী পৌরসভা থেকে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার পটুয়াখালীতে ৩১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ঝালকাঠিতে তিনতলা ভবনে একযোগে চুরি, টেলারের শ্বাসরোধে হত্যা ভোলায় দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অনিয়মের দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে বেড়াতে এসে খালে ঝাঁপ, নিখোঁজ কিশোর মির্জাগঞ্জে তাবিজের প্রলোভন দেখিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার বঙ্গোপসাগরে অবৈধ ট্রলিং বন্ধের দাবিতে কলাপাড়ায় জেলেদের মানববন্ধন পটুয়াখালীতে জমি বিরোধে দুই ভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত, এলাকায় উত্তেজনা

বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর অভাবনীয় অর্জন: ‘পঞ্চব্রীহি’ নামে একই গাছে বছরের পাঁচবার ফলন দেবে

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ মে, ২০২৪
  • ৪২২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের জিনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরীর অভাবনীয় এক আবিষ্কার দেশের কৃষিজগতে নতুন যুগ সূচনা করতে পারে। তিনি এমন একটি নতুন জাতের ধানগাছ উদ্ভাবন করেছেন যা একবার রোপণে বছরে পাঁচবার ফলন দেবে।

বিশিষ্ট এই জিনবিজ্ঞানী তাঁর উদ্ভাবিত ধানগাছটির নাম দিয়েছেন ‘পঞ্চব্রীহি’ – যার অর্থ হলো ‘পাঁচটি ধান’। এই অসাধারণ ধানগাছ থেকে এক বছরে পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন মৌসুমে ধান পাওয়া যাবে। বোরো আবাদে একবার, আউশ আবাদে দুইবার এবং আমন আবাদে আরও দুইবার – মোট পাঁচবার ফলন দেবে এই বিস্ময়কর ধানগাছ।

বহু বছরের গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই জিনবিজ্ঞানী ‘পঞ্চব্রীহি’ উদ্ভাবন করেছেন। তিনি জানান, রাসায়নিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং জনেটিক রিকম্বাইনেশন এর মাধ্যমে তিনি এই নতুন জাত তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। উচ্চ ফলনশীল এবং খরাপ আবহাওয়ায়ও জীবিত থাকার ক্ষমতাসম্পন্ন এই ধানগাছের চাষ বিস্তার করলে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা অনেকাংশে নিশ্চিত হবে বলে মনে করেন তিনি।

জিনবিজ্ঞানীর এই অভাবনীয় উদ্ভাবনকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন কৃষিবিদ ও গবেষক। তাঁরা মনে করেন, ‘পঞ্চব্রীহি’ চাষ বিস্তৃত হলে দেশে খাদ্যশস্য উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পাবে। একই সাথে এটি শস্য বৈচিত্র্য বৃদ্ধি ও মাটির উর্বরতা রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে পরিবেশগত প্রভাব এবং চাষাবাদ পদ্ধতি নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে মত প্রকাশ করেছেন তাঁরা।

অন্যদিকে, এই নতুন ধানজাতের সুফল পাওয়া গেলে তা বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য রপ্তানিও সম্ভব হবে বলে আশাবাদী প্রধানমন্ত্রীর কৃষিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশাররাফ হোসেন। খাদ্য উদ্বৃত্ত বিক্রির মাধ্যমে প্রচুর বিদেশী মুদ্রা অর্জন করা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সর্বোপরি, জিনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরীর এই আবিষ্কার বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট