1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কালবৈশাখীতে স্কুলের গেট ধসে আহত অয়ন; ঢাকায় সফল অস্ত্রোপচার, তদন্ত কমিটি গঠন পটুয়াখালীতে ভারী বৃষ্টিপাত, পায়রা বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল খুলনার কয়রায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত আইনগত সহায়তা দিবস লংগদুতে মৃত হাতির দেহে দুর্বৃত্তদের থাবায় উধাও রাতের আঁধারে পা,শুঁড় ও দাত ভোলায় চাকরি মেলায় কর্মসংস্থান পেলেন ১২৭ নারী একনেকে ১৩ হাজার ৪৪৫ কোটি টাকার ১৪ প্রকল্প অনুমোদন, ভোলার জন্য বড় সড়ক উন্নয়ন মির্জাগঞ্জে নদীতে গোসল করতে নেমে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরের মৃত্যু কলাপাড়ায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে মারধরের অভিযোগ কোডেক এনজিও কর্মীদের বিরুদ্ধে কলাপাড়ায় “যুদ্ধ থামাও, পৃথিবী বাঁচাও” স্লোগানে মানববন্ধন, সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের দাবি বাউফলে ৩৫ কেভিএ ট্রান্সফরমার চুরি, বিদ্যুৎহীন ১৩ নম্বর আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন

বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর অভাবনীয় অর্জন: ‘পঞ্চব্রীহি’ নামে একই গাছে বছরের পাঁচবার ফলন দেবে

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ মে, ২০২৪
  • ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের জিনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরীর অভাবনীয় এক আবিষ্কার দেশের কৃষিজগতে নতুন যুগ সূচনা করতে পারে। তিনি এমন একটি নতুন জাতের ধানগাছ উদ্ভাবন করেছেন যা একবার রোপণে বছরে পাঁচবার ফলন দেবে।

বিশিষ্ট এই জিনবিজ্ঞানী তাঁর উদ্ভাবিত ধানগাছটির নাম দিয়েছেন ‘পঞ্চব্রীহি’ – যার অর্থ হলো ‘পাঁচটি ধান’। এই অসাধারণ ধানগাছ থেকে এক বছরে পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন মৌসুমে ধান পাওয়া যাবে। বোরো আবাদে একবার, আউশ আবাদে দুইবার এবং আমন আবাদে আরও দুইবার – মোট পাঁচবার ফলন দেবে এই বিস্ময়কর ধানগাছ।

বহু বছরের গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই জিনবিজ্ঞানী ‘পঞ্চব্রীহি’ উদ্ভাবন করেছেন। তিনি জানান, রাসায়নিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং জনেটিক রিকম্বাইনেশন এর মাধ্যমে তিনি এই নতুন জাত তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। উচ্চ ফলনশীল এবং খরাপ আবহাওয়ায়ও জীবিত থাকার ক্ষমতাসম্পন্ন এই ধানগাছের চাষ বিস্তার করলে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা অনেকাংশে নিশ্চিত হবে বলে মনে করেন তিনি।

জিনবিজ্ঞানীর এই অভাবনীয় উদ্ভাবনকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন কৃষিবিদ ও গবেষক। তাঁরা মনে করেন, ‘পঞ্চব্রীহি’ চাষ বিস্তৃত হলে দেশে খাদ্যশস্য উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পাবে। একই সাথে এটি শস্য বৈচিত্র্য বৃদ্ধি ও মাটির উর্বরতা রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে পরিবেশগত প্রভাব এবং চাষাবাদ পদ্ধতি নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে মত প্রকাশ করেছেন তাঁরা।

অন্যদিকে, এই নতুন ধানজাতের সুফল পাওয়া গেলে তা বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য রপ্তানিও সম্ভব হবে বলে আশাবাদী প্রধানমন্ত্রীর কৃষিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশাররাফ হোসেন। খাদ্য উদ্বৃত্ত বিক্রির মাধ্যমে প্রচুর বিদেশী মুদ্রা অর্জন করা যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সর্বোপরি, জিনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরীর এই আবিষ্কার বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট