1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
গলাচিপায় পূর্ব শত্রুতার জেরে শিক্ষকের ওপর হামলা, শেরেবাংলা মেডিকেলে ভর্তি বাউফলে দাশপাড়া ইউপিতে নাটকীয়তায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাসমিম তানহা কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণ জয় পটুয়াখালীর সাংবাদিক কন্যা নূর-ই-জান্নাতের নীলফামারীতে অভিযোগ ও প্রতিকার সংক্রান্ত অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত ভোলায় চরফ্যাশনে আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ঘর তুলছে ভূমিদস্যুরা ভোলায় চাকরি মেলা: ১,৬৬৩ সিভির বিপরীতে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচিত ১০৩ জন ৩-০ গোলে হাইতিকে উড়িয়ে ব্রাজিলের জয় পাকিস্তানে ‘পিরিয়ড ট্যাক্স’ বাতিল, নারী স্বাস্থ্য ও অধিকার আন্দোলনে যুগান্তকারী পদক্ষেপ মনপুরায় স্লুইস গেটের পানিতে ডুবে মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু, ২৭ ঘণ্টা পর মরদেহ উদ্ধার বোরহানউদ্দিনে ভাগ্নের বাড়িতে বেড়াতে এসে বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ইরান যুদ্ধের জেরে ২০২৬-৩০ সালে কমে যাবে ১২০ বিলিয়ন কিউবিক মিটার এলএনজি সরবরাহ: আইইএ

ঢাকা বুলেটিন ডিজিটাল ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান যুদ্ধ বৈশ্বিক তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) মধ্যমেয়াদি সরবরাহে বড় ধাক্কা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) এক বিশ্লেষক বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্ববাজারে প্রায় ১২০ বিলিয়ন কিউবিক মিটার এলএনজি সরবরাহ কমে যাবে।

হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে অনুষ্ঠিত এলএনজি সম্মেলনে বক্তৃতাকালে আইইএর বিশ্লেষক গার্গেলি মোলনার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলমান এই সংঘাত মধ্যমেয়াদি গ্যাসের দৃষ্টিভঙ্গি পুরোপুরি বদলে দিচ্ছে এবং পূর্বাভাসের চেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে বাজার পরিস্থিতি সংকুচিত থাকবে।

মোলনার জানান, সংকটের কারণে এলএনজি সরবরাহ ইতিমধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তবে কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে হারানো সরবরাহ পূরণে নতুন তরলীকরণ প্রকল্প থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

ইরানি হামলায় সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে কাতারের এলএনজি অবকাঠামোর। এসব হামলায় দেশটির রপ্তানি সক্ষমতার ১৭ শতাংশ নষ্ট হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এর ফলে গ্রীষ্ম মৌসুমের ঠিক আগে ইউরোপ ও এশিয়ার জ্বালানি সরবরাহ হুমকির মুখে পড়েছে। উল্লেখ্য, শীতকালীন চাহিদার প্রস্তুতি হিসেবে সাধারণত গ্রীষ্মকালেই গ্যাস মজুত করে রাখে দেশগুলো।

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর বর্তমান গ্যাস মজুত পাঁচ বছরের গড়ের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ কম বলে জানান এই বিশ্লেষক। আইইএর হিসাব অনুযায়ী, মজুত ৯০ শতাংশ পূর্ণতার লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে ইউরোপের অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন কিউবিক মিটার গ্যাসের প্রয়োজন হবে।

মোলনারের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ শুধু তাৎক্ষণিক সরবরাহ বিঘ্নই ঘটাচ্ছে না, বরং আগামী কয়েক বছরের বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এই অস্থিরতা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে নতুন টানাপোড়েন তৈরি করতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট