1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বোরহানউদ্দিনে নিখোঁজের দুই দিন পর শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার ভোলায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি ও পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষককে গণপিটুনি, পরে অব্যাহতি নতুন ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজতে শুরু ফুটবল ক্যাম্প-২০২৬ কালীগঞ্জে পিআইও কার্যালয় ঘিরে নানা অভিযোগ প্রকল্পের কাজ, বরাদ্দ ও বিল প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি চরফ্যাশনে ওমরপুরে স্ত্রী’র পরকীয়ায় প্রবাসী স্বামীর মানবেতর জীবন বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিবেচনায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রাজনীতির অন্যতম প্রধান উজ্জীবক। বরিশালে ওষুধ কারখানা বন্ধ ঘোষণা, দিনভর শ্রমিকদের বিক্ষোভ ভোলায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ভোলা-বরিশাল সেতু দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি

‘আমার বাচ্চারে আইনা দেও’ গলাকাটা লাশের পাশে মায়ের আহাজারি

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

 

আমার বাচ্চা, আমার বাচ্চা, আমার বাচ্চা, আমার বাচ্চারে আইন্না দেও তুমরা। আমি তুমরার কাছে ভিক্ষা চাইরাম, তুমরা আমার বাচ্চারে আইন্না দেও। আমার ছেলের লাশের সাথে আমারে কাপন পরিয়ে দেও। সে আমার বড় সন্তান, ছেলে ছাড়া আমি ক্যামনে বাঁচমু…।’

এভাবেই আহাজারি করছিলেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের পশ্চিম নন্দগ্রামের রেনু বেগম। উঠানে রাখা তাঁর বড় ছেলে লিটন মিয়ার (২৭) লাশের সামনে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। লিটনের ছিলেন দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে বড়।

মঙ্গলবার (৯ই সেপ্টেম্বর) সকালে পশ্চিম নন্দগ্রামে মসজিদের পাশ থেকে লিটনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বুধবার (১০ই সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিহতের বাড়িতে গেলে দেখা যায়, স্বজনদের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে আছে। বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন মা রেনু বেগম। লাশের পাশে বোনের আহাজারিতেও এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণার সৃষ্টি হয়।

এদিকে প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রের বরাতে জানায়, সকালে স্থানীয়রা প্রথম লাশটি দেখতে পান। খবর পেয়ে শমশেরনগর ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠায়। বুধবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় লিটন মিয়াকে। তবে হত্যার কারণ এখনো পরিষ্কার নয়।

নিহতের মামা শাহ্ আলম বলেন, “লিটন খুব ভালো ছেলে ছিল। তার মৃত্যু মেনে নেওয়া কষ্টকর। আমরা তার খুনির শাস্তি চাই। পুলিশ যেন দ্রুত ঘুনিকে ধরতে পারে।”

এ সময় কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জাফর মো. মাহফুজুল কবির মুঠোফোনে বলেন, নিহতের পরিবার থানায় এখনও কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট