1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পটুয়াখালীতে গৃহবধূ তানিয়া হত্যা: অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন বাউফলে পৃথক অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার পটুয়াখালী পৌরসভা থেকে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার পটুয়াখালীতে ৩১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ঝালকাঠিতে তিনতলা ভবনে একযোগে চুরি, টেলারের শ্বাসরোধে হত্যা ভোলায় দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অনিয়মের দায়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা ভীমরুলি পেয়ারা বাগানে বেড়াতে এসে খালে ঝাঁপ, নিখোঁজ কিশোর মির্জাগঞ্জে তাবিজের প্রলোভন দেখিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার বঙ্গোপসাগরে অবৈধ ট্রলিং বন্ধের দাবিতে কলাপাড়ায় জেলেদের মানববন্ধন পটুয়াখালীতে জমি বিরোধে দুই ভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত, এলাকায় উত্তেজনা

‘আমার বাচ্চারে আইনা দেও’ গলাকাটা লাশের পাশে মায়ের আহাজারি

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

 

আমার বাচ্চা, আমার বাচ্চা, আমার বাচ্চা, আমার বাচ্চারে আইন্না দেও তুমরা। আমি তুমরার কাছে ভিক্ষা চাইরাম, তুমরা আমার বাচ্চারে আইন্না দেও। আমার ছেলের লাশের সাথে আমারে কাপন পরিয়ে দেও। সে আমার বড় সন্তান, ছেলে ছাড়া আমি ক্যামনে বাঁচমু…।’

এভাবেই আহাজারি করছিলেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের পশ্চিম নন্দগ্রামের রেনু বেগম। উঠানে রাখা তাঁর বড় ছেলে লিটন মিয়ার (২৭) লাশের সামনে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। লিটনের ছিলেন দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে বড়।

মঙ্গলবার (৯ই সেপ্টেম্বর) সকালে পশ্চিম নন্দগ্রামে মসজিদের পাশ থেকে লিটনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বুধবার (১০ই সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিহতের বাড়িতে গেলে দেখা যায়, স্বজনদের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে আছে। বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন মা রেনু বেগম। লাশের পাশে বোনের আহাজারিতেও এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণার সৃষ্টি হয়।

এদিকে প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রের বরাতে জানায়, সকালে স্থানীয়রা প্রথম লাশটি দেখতে পান। খবর পেয়ে শমশেরনগর ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠায়। বুধবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় লিটন মিয়াকে। তবে হত্যার কারণ এখনো পরিষ্কার নয়।

নিহতের মামা শাহ্ আলম বলেন, “লিটন খুব ভালো ছেলে ছিল। তার মৃত্যু মেনে নেওয়া কষ্টকর। আমরা তার খুনির শাস্তি চাই। পুলিশ যেন দ্রুত ঘুনিকে ধরতে পারে।”

এ সময় কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জাফর মো. মাহফুজুল কবির মুঠোফোনে বলেন, নিহতের পরিবার থানায় এখনও কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট