1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মৎস্য সম্পদ রক্ষায় আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক ভোলা জেলা ছাত্রদলের নবনির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন ঝড়-বৃষ্টিতে ভোলায় ২১ কোটি টাকার ফসলের ক্ষতি, দিশেহারা কৃষক ভোলায় কোরবানিকে ঘিরে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত খামারিরা, ভারতীয় গরু নিয়ে দুশ্চিন্তা কলাপাড়ায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বরফ উৎপাদনে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা পটুয়াখালীতে পৃথক অভিযানে গাঁজাসহ দুই যুবকের তিন মাসের কারাদণ্ড পটুয়াখালীতে হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার পটুয়াখালীতে ৪৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার কুয়াকাটায় বিষধর পদ্মগোখরা সাপ উদ্ধার, বালতিতে আটকে দুধ খাওয়ানোর ভুল প্রচলন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আইনে শিথিলতা আনছে ইইউ, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবস্থায় বিলম্ব, নগ্নতা তৈরির এআই নিষিদ্ধ

ভোলায় কোরবানিকে ঘিরে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত খামারিরা, ভারতীয় গরু নিয়ে দুশ্চিন্তা

মোঃ সামিরুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ভোলায় গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলায় ভোলার গরুর ব্যাপক চাহিদা থাকায় এবারও লাভের আশায় দিন-রাত পরিশ্রম করছেন তারা। তবে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু প্রবেশ করলে দেশীয় খামারিরা ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন—এমন আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন অনেক খামারি।

জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চল ও গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, খামারিরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গরুর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। কেউ ঘাস কাটছেন, কেউ খৈল-কুঁড়া প্রস্তুত করছেন, আবার কেউ গরুকে গোসল করিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখছেন। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি অনেক খামারে অতিরিক্ত শ্রমিকও কাজ করছেন।

খামারিদের দাবি, প্রাকৃতিক পরিবেশে ও দেশীয় খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজাকরণ করায় এসব গরুর মাংস স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ হয়। তাই বাজারে ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন তারা।

ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা এলাকার খামারি রিয়াদ বলেন, “গত কয়েক বছর ধরেই কোরবানির জন্য স্থানীয় প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে কোনো ধরনের ওষুধ বা ইনজেকশন ছাড়াই গরু প্রস্তুত করছি। এসব গরুর চাহিদা বাজারে সবচেয়ে বেশি।”

পরানগঞ্জ এলাকার খামারি শহিদুল ইসলাম বলেন, “সরকারি ঋণ নিয়ে এই ব্যবসা করছি। গরুগুলো ঠিকভাবে বিক্রি করতে পারলে লাভের মুখ দেখব ইনশাআল্লাহ।”

তবে পশুখাদ্য, ওষুধ ও শ্রমিকের বাড়তি খরচে চাপের মুখে রয়েছেন খামারিরা। তাদের আশঙ্কা, ভারতীয় গরু বাজারে প্রবেশ করলে দেশীয় গরুর দাম কমে যেতে পারে।

চর সামাইয়া এলাকার খামারি মকবুল মিয়া বলেন, “স্থানীয় গরুগুলো বিক্রি করার সুযোগ থাকলে আমরা লাভবান হব। কিন্তু বাইরে থেকে, বিশেষ করে ভারতীয় গরু ঢুকলে আমাদের লোকসান হবে।”

একই ধরনের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন খামারি মো. রিপন। তিনি বলেন, “ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে গরুর ব্যবসা করছি। ভারতীয় গরু ঢুকলে দেশীয় গরুর দাম পড়ে যাবে। তাই সরকার ও প্রশাসনের কাছে দাবি, যেন ভারতীয় গরু বাজারে প্রবেশ করতে না পারে।”

এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেমিক্যাল ব্যবহার করে গরু মোটাতাজাকরণ বা অসুস্থ পশু যাতে হাটে বিক্রি করা না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে।

ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম খান বলেন, “জেলায় ৪৯টি স্থায়ী ও শতাধিক অস্থায়ী পশুর হাট বসবে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের ২৪টি মোবাইল টিম মাঠে কাজ করবে। কোনো গরু অসুস্থ বা অস্বাভাবিক মনে হলে সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হবে।”

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর ভোলায় কোরবানির জন্য গরুর চাহিদা রয়েছে ৮১ হাজার ২০টি। এর বিপরীতে প্রস্তুত রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৩ হাজার কোরবানিযোগ্য গরু। ফলে জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য জেলাতেও ভোলার গরু সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট