1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মনপুরায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলের খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, তিন জেলে আটক, জেল হাজতে প্রেরণ ভোলা ভেদুরিয়া সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (ভিএসডিএফ)-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন মেঘনায় হারিয়ে গেছে ভবানীপুর, দাদার গল্পেই বেঁচে ছিলো সেই বাড়ি ঢাকায় কাচিয়া ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইউসুফ পাকিস্তান সফরে জিজেইউএসের ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল, নেতৃত্বে জাকির হোসেন মহিন ভোলায় অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করল সেবা তরঙ্গ সংগঠন রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পবিপ্রবির শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু সাইবার প্রতারণা ও আইডি হ্যাকিংয়ের অভিযোগে নাগরিকদের জন্য সিআইআরএস প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন দশমিনায় গণঅধিকার পরিষদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত রাঙ্গাবালীতে এইচএসসি উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিতর্ক: পরীক্ষকের বদলে শিক্ষার্থীদের হাতে খাতা, ভিডিও ভাইরাল

 বোরহানউদ্দিনে ছেলেকে বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ মায়ের, তানজিল উদ্ধার, জেসমিন এখনো নিখোঁজ

ঢাকা বুলেটিন ডিজিটাল ডেস্ক
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৪ বার পড়া হয়েছে

ভোলার বোরহানউদ্দিনের গংগাপুর ইউনিয়নে তেতুলিয়া নদীতে প্রতিবন্ধী ছেলে তানজিল (১৭) পানিতে পড়লে তাকে উদ্ধার করতে নেমে স্রোতের টানে তলিয়ে গেছেন তার মা জেসমিন (৩৬)। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকের এই ঘটনায় ছেলেকে জীবিত তুলে আনা হলেও মায়ের সন্ধান পাওয়া যায়নি ১০ ঘণ্টা পরও।

সাকের ভিটা এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তানজিল নদীর ধারে খেলতে গিয়ে হঠাৎ পিছলে পড়ে যায়। চিৎকার শুনে ছুটে আসেন তার মা জেসমিন; কোনো দ্বিধা না করে পানিতে ঝাঁপ দেন। স্রোত অতিরিক্ত থাকায় কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই তিনি নিখোঁজ হন। স্থানীয় জেলেরা ছেলেটিকে টেনে তুললেও জেসমিনকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজের দাদা মো. শাহজাহান খান বলেন, “আমার ছেলের বউ সাঁতার জানত না; তবুও নাতিকে বাঁচাতে ঝাঁপ দিয়েছে। এখন পরিবারে শুধু আশায় বুক বাঁধছি—সে যেন জীবিত ফিরে আসে।” খবর পেয়ে বোরহানউদ্দিন ফায়ার সার্ভিস ও লালমোহান ডুবুরি দল দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৬০০ মিটার এলাকা জুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মো. রফিকুল ইসলাম জানান, “পানির গভীরতা ১২-১৪ ফুট, স্রোত তীব্র; ডুবুরিরা তিন দলে বিভক্ত হয়ে কাজ করছে।”

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. কামাল হোসেন বলেন, “তেতুলিয়া নদীর এই খণ্ডে প্রতি বছরই দুর্ঘটনা ঘটে; কিন্তু নদীর পাড়ে কোনো সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড বা রেলিং নেই। দ্রুত উদ্ধারের পাশাপাশি স্থায়ী সুরক্ষা দাবি করছি।”

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট