
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার চরগরবদী ফেরিঘাট এলাকায় নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া জহিরুল ইসলাম (৫৭)-এর মরদেহ প্রায় ৩১ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয়দের মাধ্যমে ভাসমান মরদেহের সন্ধান মেলে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে চরগরবদী ফেরিঘাট সংলগ্ন নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন বালুবাহী জাহাজের শ্রমিকরা। পরে তারা স্থানীয়দের পাশাপাশি পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে দুমকি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত জহিরুল ইসলাম, যিনি টিটুল নামেও পরিচিত, বাউফল উপজেলার কনকদিয়া গ্রামের মৃত মোতাহার উদ্দিনের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, স্বজনের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। গত ২১ এপ্রিল রাত প্রায় ১০টার দিকে চরগরবদী ফেরিঘাটে ফেরি থেকে নামার সময় অন্ধকারে ফেরি ও পল্টনের মাঝখানের ফাঁকা স্থানে পড়ে গিয়ে নদীতে নিখোঁজ হন।
ঘটনার পরদিন সকালে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দিনব্যাপী উদ্ধার অভিযান চালালেও তখন তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৩১ ঘণ্টা পর একই এলাকায় তার মরদেহ ভেসে ওঠে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”
স্থানীয়দের মতে, ফেরিঘাট এলাকায় পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা ঘাটতির কারণে এমন দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।