1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ভোলায় ফ্ল্যাট বাসা থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক, পরিবারের দাবি হত্যা, ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হবে পুলিশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান পবিপ্রবির সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ভোলায় পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ৩ বিদ্যুতের দাম বাড়ছে প্রায় ২০ শতাংশ, জুন থেকেই কার্যকর কুয়াকাটায় পারিবারিক কলহের জেরে যুবকের আত্মহত্যা চরফ্যাশনে সড়ক ও ড্রেন দখলমুক্ত করতে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে ৩ দিনের আল্টিমেটাম কুয়াকাটায় ভেসে এলো ৫৮ ফুট দীর্ঘ মৃত তিমি বাউফলে পানি নিষ্কাশনের পাইপ বসানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নিহত ১ সিআইডির প্রধান হলেন ডিআইজি আলি আকবর খান চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’, এক প্ল্যাটফর্মে মিলবে সব সেবা

রংপুরের তারাগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যা

মুহাম্মদ রাওফুল বরাত বাঁধন ঢালী
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

 

 

রংপুর তারাগঞ্জে নিজ বাড়ি থেকে এক বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁর স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের উত্তর রহিমাপুর গ্রামে এই নৃশংস জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় (৭৫) এবং তাঁর সহধর্মিণী সুবর্ণা রায় (৬০)।

রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টা বাজলেও যোগেশ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে সন্দেহ হয় দীর্ঘদিনের পারিবারিক কেয়ারটেকার দীপক চন্দ্র রায়ের। আশপাশের লোকজনকে ডেকেও কোনো সাড়া না মেলায় শেষমেশ মই বেয়ে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন প্রতিবেশীরা।

ভেতরে ঢুকেই তাঁরা আঁতকে ওঠেন। বাড়ির ডাইনিং রুমে পড়ে ছিল বীর মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায়ের নিথর দেহ, আর রান্নাঘরে পাওয়া যায় তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায়ের রক্তাক্ত লাশ। পরে বাড়ির প্রধান ফটক খুলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী দীপক চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমি প্রায় ৪০-৫০ বছর ধরে দাদুর (যোগেশ চন্দ্র রায়) দেখাশোনা করছি। প্রতিদিন সকালেই আসি। আজ ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে মই দিয়ে ঢুকে দেখি এই ভয়াবহ দৃশ্য।

যোগেশ চন্দ্র রায় ২০১৭ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অবসরে যান। ব্যক্তিজীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক। তাঁর বড় ছেলে শোভেন চন্দ্র রায় জয়পুরহাটে এবং ছোট ছেলে রাজেশ খান্না চন্দ্র রায় ঢাকায় পুলিশ বিভাগে কর্মরত। সন্তানদের অনুপস্থিতিতে গ্রামের এই বাড়িতে বৃদ্ধ দম্পতি একাই বসবাস করতেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাব্বর হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলী হোসেন এবং পুলিশ কর্মকর্তারা।

এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলী হোসেন আল্টিমেটাম দিয়ে বলেন, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় আমরা কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।

তারাগঞ্জ থানার এসআই মো. আবু ছাইয়ুম জানান, প্রাথমিক সুরতহালে উভয় ভুক্তভোগীর মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ভারি কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করে তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ জোর তদন্ত শুরু করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট