
সাগরকন্যা খ্যাত কুয়াকাটায় দেশ-বিদেশের পর্যটক ও স্থানীয় মুসল্লিদের ধর্মীয় সুবিধা নিশ্চিত করতে তিনতলা বিশিষ্ট একটি আধুনিক মডেল মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সকালে কুয়াকাটা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের উদ্যোগ ও অর্থায়নে নির্মিতব্য এই মসজিদটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলী ও নান্দনিক নকশায় তৈরি করা হবে। পর্যটন ও ধর্মীয় সুবিধার সমন্বয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানটি, যেখানে উন্নত ও আরামদায়ক নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা থাকবে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার, ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক)-এর সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিরাজ, ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের প্রকৌশলী আল-আমিন হোসেন, উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু, সাংবাদিক আল-আমিন অনিকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ফারুক হাওলাদার বলেন, “পর্যটননগরী কুয়াকাটায় এমন একটি নান্দনিক মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এটি ধর্মীয় অনুশীলনের পাশাপাশি পর্যটনেরও একটি আকর্ষণীয় স্থাপনা হয়ে উঠবে।”
টোয়াকের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিরাজ বলেন, “প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক কুয়াকাটায় ভ্রমণে আসেন। আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি মসজিদ নির্মিত হলে তা পর্যটকদের ধর্মীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি পর্যটন শিল্পেও নতুন মাত্রা যোগ করবে।”
যশোর থেকে আগত পর্যটক মেহেদী সুমন বলেন, “সমুদ্র ভ্রমণের পাশাপাশি সুন্দর ও শান্ত পরিবেশে নামাজ আদায়ের সুযোগ পাওয়া পর্যটকদের জন্য বাড়তি প্রাপ্তি।”
ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমদাদুল হক বলেন, “হালাল ট্যুরিজমকে উৎসাহিত করাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। পর্যটক ও স্থানীয় মুসল্লিদের কথা বিবেচনা করে এই মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। আমরা চাই, কুয়াকাটায় আগত প্রতিটি পর্যটক অন্তত একবার এই মসজিদটি পরিদর্শন ও নামাজ আদায় করুন।”
তিনি আরও বলেন, আধুনিক স্থাপত্যশৈলী ও দৃষ্টিনন্দন নকশায় নির্মিত এ মসজিদ ভবিষ্যতে কুয়াকাটার অন্যতম দর্শনীয় স্থাপনায় পরিণত হবে।