1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বরিশালে মাস্টার ক্রাফটস পার্সনদের নিয়ে মতবিনিময় ভোলার প্রথম সাংবাদিক আবু তাহেরকে সংবর্ধনা দিল মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ১০০ হাঁস দিয়ে শুরু, এখন মাসে ৩৫ হাজার টাকা মুনাফা পারুলের! মায়ের স্বপ্ন, বাবার আদর্শের পথে পার্থর নতুন অধ্যায় মনপুরায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ভোলার ৫০ লাখ অনুসারীর কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রিন্স আইউব আয় করেন লাখ টাকা ভোলায় জিজেইউএসের কার্যক্রম পরিদর্শনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জুলাই আন্দোলনে সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ভোলার পাঙ্গাশিয়ায় প্রায় এক একর জমির ফলদ ও বনজ বৃক্ষ কেটে নিয়েছে দূর্বৃত্তরা বর্ষা এলেই হাঁটুপানি, আট বছর ধরে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ

আলোচিত স্কুল ছাত্রী হত্যা রহস্য উন্মোচন,গ্রেপ্তার-১

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫
  • ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

 

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় স্কুলছাত্রী নাফিসা জান্নাত আনজুম (১৫) হত্যাকাণ্ডের রহস্য ১৮ ঘণ্টার মধ্যেই উন্মোচন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় প্রতিবেশী মো. জুনেল মিয়াকে (৩৯) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তার স্বীকারোক্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে ভিকটিমের বোরখা, স্কুলব্যাগ, বই ও একটি জুতা। সোমবার (১৬ই জুন) দুপুরে মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার এমকেএইচ জাহাঙ্গীর হোসেন।

তিনি জানান, গত ১২ই জুন সকাল ৭টার দিকে দাউদপুর গ্রামের বাসিন্দা আনজুম পাশের সিংগুর গ্রামে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয়। বিষয়টি নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কুলাউড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা হয়।

নিখোঁজের দু’দিন পর ১৪ই জুন বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বাড়ির পাশের ছড়ায় পাশে দুর্গন্ধ পেয়ে ভিকটিমের ভাই ও তার মামা অর্ধগলিত মরদেহ খুঁজে পান। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় এবং কুলাউড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা এবং কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মো. আজমল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ একাধিক তদন্ত দল গঠন করে। কুলাউড়া থানার ওসি মো. গোলাম আপছার ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুদীপ্ত শেখর ভট্টাচার্যসহ একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

তদন্তের অংশ হিসেবে ছড়ার পাশের ঝোপে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ আনজুমের স্কুলব্যাগ, বই এবং একটি জুতা উদ্ধার করে। পাশাপাশি স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গঠন করা হয় ৬টি বিশেষ দল। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, প্রতিবেশী জুনেল মিয়ার মোবাইলে পর্নোগ্রাফি দেখার রেকর্ড রয়েছে। সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আটক করা হলে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রাত ১২টার দিকে স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার দায় স্বীকার করে জুনেল।

জবানবন্দিতে জুনেল জানায়, সে দীর্ঘদিন ধরে আনজুমকে লক্ষ্যে করছিল এবং তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চেয়েছিল। গত ১২ই জুন সকালে প্রাইভেট শেষে বাড়ি ফেরার পথে জুনেল তার পথরোধ করে। আনজুম তা এড়িয়ে যেতে চাইলে জুনেল পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে এবং আনজুম চিৎকার করলে গলাচেপে ধরে। এতে আনজুম অচেতন হয়ে পড়লে তাকে পাশের ঝোপে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পরে ঘটনাস্থলের তার দেখানো মতে আনজুমের বোরখা, জুতা ও স্কুলব্যাগ ফেলে ও পুলিশ কিরিম শাহ্ মাজারসংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানের পাশ থেকে ভিকটিমের বোরখাও উদ্ধার করে।

ঘাতক জুনেলকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট