1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মনপুরায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলের খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, তিন জেলে আটক, জেল হাজতে প্রেরণ ভোলা ভেদুরিয়া সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (ভিএসডিএফ)-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন মেঘনায় হারিয়ে গেছে ভবানীপুর, দাদার গল্পেই বেঁচে ছিলো সেই বাড়ি ঢাকায় কাচিয়া ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইউসুফ পাকিস্তান সফরে জিজেইউএসের ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল, নেতৃত্বে জাকির হোসেন মহিন ভোলায় অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করল সেবা তরঙ্গ সংগঠন রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পবিপ্রবির শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু সাইবার প্রতারণা ও আইডি হ্যাকিংয়ের অভিযোগে নাগরিকদের জন্য সিআইআরএস প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন দশমিনায় গণঅধিকার পরিষদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত রাঙ্গাবালীতে এইচএসসি উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিতর্ক: পরীক্ষকের বদলে শিক্ষার্থীদের হাতে খাতা, ভিডিও ভাইরাল

শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হকের ৬৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন

মো: সামিরুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

 

শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক — বাংলার জাতীয় নেতা ও উপমহাদেশের এক বরেণ্য রাজনীতিবিদ। বঙ্গভঙ্গ পরবর্তী নেতৃত্বশূন্য মুসলিম বাংলায়, গোলামির শৃঙ্খল ভেঙে মুক্তির বার্তা নিয়ে তিনি রাজনীতির ময়দানে অবতীর্ণ হন। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষা বিস্তার এবং অর্থনৈতিক দাবি আদায়ের সংগ্রামে শেরেবাংলা ফজলুল হক এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

হিন্দু জমিদার শ্রেণির শোষণের বিরুদ্ধে বাংলার সাধারণ মুসলমান ও নিম্নবর্গের হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ করে তিনি গড়ে তোলেন অসাম্প্রদায়িক প্রজা আন্দোলন। “লাঙল যার, জমি তার” — এই স্লোগানকে সামনে রেখে শেরেবাংলার নেতৃত্বে কৃষক-প্রজা পার্টি অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচনে জয়লাভ করে এবং তিনি বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। প্রজা আন্দোলনের ফলশ্রুতিতেই পরবর্তীকালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ সম্ভব হয়।

রাজনীতিতে সাহসী ও জনদরদী ভূমিকায় তিনি ‘শের-ই-বাংলা’ ও ‘হক সাহেব’ নামে পরিচিতি লাভ করেন। বাংলার রাজনীতির গণ্ডি ছাড়িয়ে নিখিল ভারতীয় রাজনীতিতেও মুসলমানদের রাজনৈতিক অধিকারের পক্ষে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন তিনি। ১৯৪০ সালের মুসলিম লীগের অধিবেশনে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপনের গৌরবও তার।

পাকিস্তান আমলেও পূর্ব বাংলার মানুষের পক্ষে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন। দায়িত্বশীল ও জনদরদী এই নেতা ছিলেন বাংলার জাতীয় চেতনার প্রতীক এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অন্যতম রূপকার।

আজ এই মহান নেতার ৬৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শেরে বাংলা ফাউন্ডেশন তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছে।

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা কায়েম ছিল, যেখানে নাগরিকরা তাদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। গত ১৭ বছরে নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর বন্দনায় ইতিহাস বিকৃতির মাধ্যমে শেরেবাংলার মতো মহান নেতাকে ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা হয়েছে। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অস্তিত্ব আজও আগ্রাসন ও পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ।

এ জাতীয় সংকটকালে, গণতান্ত্রিক ও সভ্যতাভিত্তিক রাষ্ট্র নির্মাণের অভিযাত্রায় শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক আমাদের জন্য চিরকালীন পথপ্রদর্শক ও মুক্তির দিশারী হয়ে থাকবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট