1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
নেতার নামে সড়কে গেট, জনদুর্ভোগের অভিযোগ; একদিনের মধ্যে রাজীব গ্রেপ্তার ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ১৪ বছর পর গ্রেপ্তার হাতে রশি নিয়ে ঘুরছিলেন, সকালে নিজের চায়ের দোকানেই মিলল মরদেহ তিন দিনের সফরে ভোলায় আসছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ মনপুরায় ঘাস বিক্রির অভিযোগে সংবাদ প্রকাশ, ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা; আদালতে জামিন ভোলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বরিশালে মাস্টার ক্রাফটস পার্সনদের নিয়ে মতবিনিময় ভোলার প্রথম সাংবাদিক আবু তাহেরকে সংবর্ধনা দিল মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ১০০ হাঁস দিয়ে শুরু, এখন মাসে ৩৫ হাজার টাকা মুনাফা পারুলের! মায়ের স্বপ্ন, বাবার আদর্শের পথে পার্থর নতুন অধ্যায়

মেঝেতে পড়ে ছিল গৃহবধূর মরদেহ, উধাও শ্বশুরবাড়ির লোকজন

ঢাকা বুলেটিন ডিজিটাল ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬
  • ১১৮ বার পড়া হয়েছে

ভোলার দৌলতখান উপজেলায় ফিমা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৯ মে) সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে উপজেলার চর খলিফা ইউনিয়নের কলাকোপা গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

নিহত ফিমা আক্তার ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার গঙ্গাপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল কালামের মেয়ে। প্রায় তিন বছর আগে পারিবারিকভাবে দৌলতখান উপজেলার কলাকোপা গ্রামের সজিবের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মোটরসাইকেল দাবিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে ফিমার ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তাকে মারধরের পর হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন স্বজনরা। পরে ঘরের মেঝেতে মরদেহ ফেলে রেখে শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়।

ফিমার মা তাছনুর বেগম বলেন, “দেড় বছর আগে সজিব একটি মোটরসাইকেল দাবি করে। আমাদের পক্ষে তা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এরপর থেকেই বিভিন্ন সময় আমার মেয়েকে মারধর করা হতো। বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার স্থানীয়ভাবে সালিসও হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, ঈদের তিন দিন আগেও মোটরসাইকেল নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ হয়। সেই ঘটনার জের ধরেই তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের ধারণা।

নিহতের ভাই মো. শিপন জানান, ঈদের দিন এশার নামাজের পর ফিমা তার মা ও বোনের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন। তখন তিনি স্বাভাবিক ছিলেন। পরে রাত প্রায় ৪টার দিকে শ্বশুরবাড়ি থেকে ফোন করে জানানো হয়, ফিমা অসুস্থ এবং তাকে হাসপাতালে নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, “কী হয়েছে জানতে চাইলে প্রথমে অসুস্থতার কথা বলা হয়। পরে গলায় ফাঁস দেওয়ার কথা বলা হয়। সকালে গিয়ে দেখি ঘরের মেঝেতে বোনের মরদেহ পড়ে আছে, কিন্তু বাড়িতে কেউ নেই।”

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, “৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঘরের ভেতরে মরদেহ পাওয়া যায়। নিহতের নাক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল।”

তিনি জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট