
পটুয়াখালী-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অবঃ) আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, একটি সুষ্ঠু, সুন্দর, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও পুলিশের নিরপেক্ষতা অপরিহার্য। তবে বিগত সরকার কোনো প্রতিষ্ঠানকেই নিরপেক্ষ রাখেনি; বরং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) পটুয়াখালী শহরের সুরাইয়া ভবনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আলতাফ হোসেন চৌধুরী উল্লেখ করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিগত কয়েকটি নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল না, এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন থেকে যায়। তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন যাতে না হয় বা বানচাল হয়ে যায়, সেজন্য দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে রাজনৈতিক জোট বারবার ভাঙছে ও গড়ছে, যারা নিজেদের স্বার্থে বেশি সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছে”।
তিনি মন্তব্য করেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুসের নেতৃত্বে সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধির হাতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব হস্তান্তর করতে চায়, যা দেশের রাজনীতিবিদ ও জনগণও কামনা করছে। আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, “তারেক রহমানের বড় ক্যারিশমা হচ্ছে, আট হাজার মাইল দূরে থেকে ভার্চুয়াল রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বিশাল জনসংখ্যার এই দলকে পরিচালনা ও ধরে রাখতে পারা, যা অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক”।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিএনপি প্রতিশ্রুতিতে নয়, কাজে বিশ্বাসী। নির্বাচনের পূর্বে কোনো দান-অনুদান দেওয়া হবে না, তবে নারী ও তরুণদের জন্য তাদের অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরির আশ্বাস দেন এবং কোনো বেআইনি কাজ করা হবে না বলে জানান।
মতবিনিময় সভায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মাকসুদ আহমেদ বায়েজিদ পান্না, সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, অ্যাডভোকেট তৌফিক আলী খান কবির ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।