
ভোলায় স্ত্রী’র পরকীয়া প্রেমে বাধা দেয়ায় স্বামীকে হত্যার চেষ্টা করেছে পাষন্ড স্ত্রী। এ ব্যাপারে ভোলা সদর থানায় একটি অভিযোগ পত্র দাখিল করা হয়েছে। ঘটনা সূত্রে জানাগেছে, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চর কলমী ইউনিয়নের, উত্তর চর মঙ্গল ৪নাং ওয়ার্ডের আবদুল বারেক মাতাব্বরের মেয়ে নারগীস বেগমের সাথে ৩ বছর পূর্বে ভোলা পৌরসভা ৮নং ওয়ার্ডের মৃত আবদুল বারেক মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিনের সাথে, ইসলামী শরীয়া মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের পর উভয়ের দাম্পত্য জীবন কিছুদিন ভালো কাটলেও পরবর্তীতে স্ত্রী নারগীস বেগম মিজান নামের এক যুবকের সাথে পরকীয়া প্রেমে লিপ্ত হয়। যার কারণে স্বামী জসিমের সংসারে নেমে আসে এক ভয়াবহ অশান্তি ও চরম দুর্ভোগ। উল্লেখ্য, স্ত্রীর নারগীসের সাথে তার পরকীয়া বন্ধুর কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগে ভাইড়াল হয়। এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্য দেখা দেয় আরো জটিলতা, অবনাবন ও ঝগড়াঝাটি। শুরু হতে থাকে স্বামী স্ত্রী’র দূরত্ব। স্ত্রী নারগীস প্রায় সময়ই তার স্বামী জসিম কে হুমকি দিয়ে বলতো, তার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করলে সে তার পরকীয়া বন্ধুকে সাথে নিয়ে স্বামী জসিমকে দুনিয়া হতে চির তরে বিদায় করে দিবে। উল্লেখ্য গত ১৪/০৫/২৬ ইং তারিখে এ পরকীয়া বিষয়টি নিয়ে স্ত্রী নারগীস ও স্বামী জসিমের সাথে ভিষণ ঝগড়াজাটি হয়। সেদিন দিবাগত রাত ৪টার দিকে স্বামী জসিম উদ্দিন ঘুমন্ত থাকা অবস্থায় স্ত্রী নার্গিস বেগম তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে দুহাত দিয়ে স্বজোরে স্বামী জসিমের অন্ডকোষ চেপে ধরে। পরে সে অনেক কৌশল করে তার হাত থেকে রক্ষা পেয়ে দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে প্রাণে বেচে গেলেও ব্যাথার যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে। পরবর্তীতে ১৫/০৫/২৬ ইং তারিখ ভোর ৬টার দিকে স্বামী জসিম ভোলা সদর হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নেয় । ভোলা সদর হাসপাতালের ব্যবস্থাপত্রের ক্রমিক নং-৪৯৬২/০৮। এমতাবস্থায় বর্তমানে স্বামী জসিম উদ্দিন খুবই নিরাপত্তাহীনতার ভিতর প্রাণনাশের হুমকি ও ঝুঁকি নিয়ে নিরুপায় হয়ে বাধ্যতামূলক এই নারীর সাথে সংসার করতে হচ্ছে। কারণ এখানে তাদের দেড় বছরের একটি সন্তান রয়েছে। একমাত্র এ সন্তানটির দিকে তাকিয়ে স্বামী জসিম উদ্দিন এ ব্যপারে বড় কোন পদক্ষেপ নিতে পারছে না। এমতাবস্থায় তদন্ত সাপেক্ষে, প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেণ, ভূক্তভোগী স্বামী ও ওই এলাকার সচেতন মহল।