1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
১০০ হাঁস দিয়ে শুরু, এখন মাসে ৩৫ হাজার টাকা মুনাফা পারুলের! মায়ের স্বপ্ন, বাবার আদর্শের পথে পার্থর নতুন অধ্যায় মনপুরায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ভোলার ৫০ লাখ অনুসারীর কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রিন্স আইউব আয় করেন লাখ টাকা ভোলায় জিজেইউএসের কার্যক্রম পরিদর্শনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জুলাই আন্দোলনে সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ভোলার পাঙ্গাশিয়ায় প্রায় এক একর জমির ফলদ ও বনজ বৃক্ষ কেটে নিয়েছে দূর্বৃত্তরা বর্ষা এলেই হাঁটুপানি, আট বছর ধরে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ ৬৬ বছর নখ না কেটে বিশ্বরেকর্ড, শ্রীধরের পাঁচ নখের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০ ফুট ভোলায় জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, পুরস্কার পেল তিন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

বাউফলে চোর সন্দেহে যুবককে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

ঢাকা বুলেটিন ডিজিটাল ডেস্ক
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চোর সন্দেহে এক যুবককে আটক করে খুঁটিতে বেঁধে লাঠিপেটা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৫ মে) উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নের ল্যাংড়া মুন্সির পোল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী যুবকের নাম মোহাম্মদ বাপ্পি (২৪), তিনি কালাইয়া ইউনিয়নের বড় ডালিমা এলাকার বাসিন্দা।

জানা গেছে, সপ্তাহখানেক আগে ল্যাংড়া মুন্সির পোল এলাকায় ইউসুফ আকনের মুদি ও মনোহারি দোকান থেকে কিছু টাকা চুরি হয়। পরে পাশের দোকানের সিসি ক্যামেরায় দোকান এলাকায় ভুক্তভোগী যুবককে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। সোমবার স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাকে দেখতে পেয়ে আটক করেন। পরে খুঁটিতে বেঁধে তাকে পেটানো হয়।

দোকান মালিক ইউসুফ আকন বলেন, “ঘটনার সময় দুপুরে আমি পাশের মসজিদের পুকুরে গোসল করতে যাই। এ সময় ক্যাশ কাউন্টার তালাবদ্ধ করতে ভুলে গিয়েছিলাম। গোসল শেষে ফিরে এসে দেখি বেচাকেনার টাকা নেই।”

ভুক্তভোগী যুবকের সঙ্গে যোগাযোগের অনেক চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, “সন্ধ্যার দিকে বিষয়টি জানতে পেরেছি। সরেজমিনে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বাংলাদেশে ভিড়িল জাস্টিস বা জনতার হাতে বিচার একটি গুরুতর আইনি ও মানবাধিকার ইস্যু। দণ্ডবিধি ও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা বৈধ পদ্ধতি। তবে গ্রামীণ এলাকায় চোর সন্দেহে গণপিটুনি বা নির্যাতনের ঘটনা মাঝেমধ্যেই ঘটে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, পুলিশি নজরদারি বৃদ্ধি ও জনসচেতনতা তৈরির মাধ্যমে ভিড়িল জাস্টিস প্রতিরোধ সম্ভব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট