1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ভোলায় Bangla QR বাস্তবায়নে ব্যাংক এশিয়ার প্রচারণা সম্ভাবনার দ্বীপ চর কুকরি-মুকরি: ইকোট্যুরিজম বিকাশে অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনার নানা চ্যালেঞ্জ ভোলায় বায়োগ্যাস প্লান্ট পরিদর্শনে কলেজ শিক্ষার্থীরা মনপুরায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলের খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, তিন জেলে আটক, জেল হাজতে প্রেরণ ভোলা ভেদুরিয়া সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (ভিএসডিএফ)-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন মেঘনায় হারিয়ে গেছে ভবানীপুর, দাদার গল্পেই বেঁচে ছিলো সেই বাড়ি ঢাকায় কাচিয়া ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইউসুফ পাকিস্তান সফরে জিজেইউএসের ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল, নেতৃত্বে জাকির হোসেন মহিন ভোলায় অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করল সেবা তরঙ্গ সংগঠন রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পবিপ্রবির শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু

কলাপাড়ায় অবৈধ ফ্রুট জেলি ও রোবো আইসক্রিম কারখানায় অভিযান: মালিকের এক বছরের কারাদণ্ড

ঢাকা বুলেটিন ডিজিটাল ডেস্ক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় অবৈধভাবে ফ্রুট জেলি ও রোবো আইসক্রিম তৈরির একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোকছেদুল আলম (৩৫)-কে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) রাত ১১টার দিকে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার হামিদ এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক।

অভিযানকালে কারখানা থেকে প্রায় ৫ হাজার পিস ফ্রুট জেলি, রোবো আইসক্রিম এবং নকল শিশু খাদ্য তৈরির বিভিন্ন কেমিক্যাল জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত সামগ্রী জনসমক্ষে ধ্বংস করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কারখানাটিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিশুদের জন্য বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী তৈরি করে বাজারজাত করা হচ্ছিল। কারখানাটিতে অভিযান পরিচালনা করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক বলেন, “রাতের আঁধারে এসব খাদ্যপণ্য তৈরি করে বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকায় সরবরাহ করা হতো। জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এমন অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ জানান, “ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ও খাদ্য নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ায় মালিককে এক বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অবৈধ খাদ্য উৎপাদন রোধে নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করা হবে।”

বাংলাদেশে ভেজাল ও অবৈধ খাদ্য উৎপাদন একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি। বিশেষ করে শিশুদের জন্য তৈরি জেলি, আইসক্রিম ও অন্যান্য স্ন্যাকস আইটেমে ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারের ঘটনা উদ্বেগজনক। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ ও খাদ্য নিরাপত্তা আইন ২০১৩ অনুযায়ী অবৈধ খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রয় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দ্রুত বিচার, নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধ সম্ভব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট