1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
হিজলায় বাক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুণী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা, ধর্ষণের অভিযোগ বরিশাল-ঢাকা রুটে নিয়মিত ফ্লাইট চালুর দাবি ভোলায় কিশোরী ক্লাবের সদস্যদের এসআরএইচআর, ওয়াশ ও পুষ্টিবিষয়ক ওরিয়েন্টেশন বোরহানউদ্দিনে নিখোঁজের দুই দিন পর শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার ভোলায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি ও পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষককে গণপিটুনি, পরে অব্যাহতি নতুন ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজতে শুরু ফুটবল ক্যাম্প-২০২৬ কালীগঞ্জে পিআইও কার্যালয় ঘিরে নানা অভিযোগ প্রকল্পের কাজ, বরাদ্দ ও বিল প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি চরফ্যাশনে ওমরপুরে স্ত্রী’র পরকীয়ায় প্রবাসী স্বামীর মানবেতর জীবন বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিবেচনায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রাজনীতির অন্যতম প্রধান উজ্জীবক।

ভরা মৌসুমেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ, দুশ্চিন্তায় ভোলার জেলেপাড়ায়

মোঃ সামিরুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

ভরা মৌসুম শুরু হলেও ভোলার মেঘনা, তেঁতুলিয়া ও ইলিশা নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ মিলছে না। এতে চরম হতাশায় পড়েছেন জেলার হাজার হাজার জেলে। আয় না থাকায় অনেকেই এনজিও ও মহাজনের ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারছেন না। কেউ কেউ নদীতে যাওয়া বন্ধ করে বিকল্প পেশার কথা ভাবছেন, আবার অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে এলাকা ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে মার্চ ও এপ্রিল—এই দুই মাস ভোলার মেঘনা, তেঁতুলিয়া ও ইলিশা নদীতে মাছ ধরা বন্ধ ছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষে মে মাসে নদীতে নামেন জেলেরা। তাদের আশা ছিল, ভরা মৌসুমে আগের মতো প্রচুর ইলিশ ধরা পড়বে। কিন্তু বাস্তবে জালে মিলছে না আশানুরূপ মাছ।

জেলেদের ভাষ্য, একসময় এ মৌসুমে নদী থেকে নৌকাভর্তি ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফিরতেন তাঁরা। তখন ঘাটজুড়ে থাকত কর্মচাঞ্চল্য আর জেলেদের মুখে ফুটত স্বস্তির হাসি। এখন দিনভর জাল ফেলেও অনেক সময় খরচের টাকাও ওঠে না।

ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ঘাটের জেলে আব্বাস মাঝি বলেন, চারজন মাঝিমাল্লা নিয়ে নদীতে যেতে প্রায় তিন হাজার টাকা ডিজেল খরচ হয়েছে। এক দিন নদীতে থেকে ফিরে মাছ বিক্রি করে পেয়েছেন মাত্র দুই হাজার টাকা। এতে লাভ তো দূরের কথা, উল্টো দেনা বাড়ছে। তাই আপাতত নদীতে যাওয়া বন্ধ রেখেছেন।

একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান জেলে আবদুল হক, মো. সায়েম ও হাবিব মাঝি। রাজাপুর এলাকার আজগর মাঝি বলেন, আগে ভরা মৌসুমে এক দিনেই পাঁচ থেকে সাত মণ ইলিশ পাওয়া যেত। এখন কয়েক দিন নদীতে থেকেও কাঙ্ক্ষিত মাছ মিলছে না।

মৎস্য ব্যবসায়ী সাহাবউদ্দিন জমাদার বলেন, নদীতে অবৈধ খুঁটা ও বেহুন্দি জাল ব্যবহারের কারণে মাছের প্রাকৃতিক বংশবিস্তার ব্যাহত হচ্ছে। এসব জাল বন্ধ করা না গেলে ভবিষ্যতে নদীতে মাছের সংকট আরও বাড়বে।

জেলা ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী ও জেলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মামুন বলেন, প্রকৃত জেলেদের একটি সঠিক তালিকা তৈরি করে সরকারি সহায়তা বাড়ানো জরুরি। তা না হলে অনেকেই বাধ্য হয়ে এ পেশা ছেড়ে দেবেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এ সময়ে ইলিশের উপস্থিতি কিছুটা কম দেখা যাচ্ছে। তবে জুন ও জুলাই মাসে নদীতে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ভোলায় নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজার। এর বাইরে অনিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১ লাখেরও বেশি। ইলিশের সংকটে এসব জেলের জীবন-জীবিকা এখন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট