1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘর বিধ্বস্ত, সড়কে গাছ উপড়ে ভোগান্তি কলাপাড়ায় নারী পুলিশ কনস্টেবলের রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর দাবি আত্মহত্যা ভোলায় শিক্ষা উন্নয়নে শিশুক্লাব গঠন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পায়ে হেঁটে ৩১ জেলা ঘুরে ভোলায় সাদিয়া, লক্ষ্য ৬৪ জেলা ও বিশ্বভ্রমণ ভোলায় দুই ইলিশ ১০ হাজারে বিক্রি, নিষেধাজ্ঞা শেষে ঘাটে উৎসবের আমেজ পটুয়াখালী আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয়, প্রতিদ্বন্দ্বীদের ভরাডুবি বাউফলে পরীক্ষা কেন্দ্রে কুড়ালসহ শিক্ষার্থী আটক; সংঘর্ষের আশঙ্কায় ৬ জন থানায়, পরে অভিভাবকের জিম্মায় মুক্তি ভোলার ভেদুরিয়ায় এক বিধবার ঘর ভাংচুরের চেষ্টা চলাচ্ছে একটি ভূমিদস্যু চক্র ভারি বৃষ্টিতে নলছিটিতে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত-২০ ভোলায় নিরাপদ প্রাণিসম্পদ উৎপাদনে উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ

ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ে অর্ধশতাধিক ঘর বিধ্বস্ত, সড়কে গাছ উপড়ে ভোগান্তি

মোঃ সামিরুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ভোলায় অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন সড়কে গাছ উপড়ে পড়ে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকেরা।

শনিবার (২ মে) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বয়ে যাওয়া বিক্ষিপ্ত ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতে এ ক্ষয়ক্ষতি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী, বাপ্তা ও ধনিয়া ইউনিয়ন উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। বৃষ্টির সঙ্গে তীব্র দমকা হাওয়া বয়ে গেলে অনেক ঘরবাড়ি ও গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এদিকে ঝড়ের কারণে জেলার অন্তত ১০ থেকে ১২টি স্থানে গাছ পড়ে বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। সন্ধ্যার আগে কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও কয়েকটি এলাকায় এখনো বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

ভোলা বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইউসুফ জানান, ঝড়ে ভোলা সদর, ইলিশা, ধনিয়া ও বাপ্তা ইউনিয়নের ৭ থেকে ৮টি পয়েন্টে বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার বিদ্যুতের তার নষ্ট হয়েছে। বেশিরভাগ এলাকায় মেরামত কাজ শেষ হয়েছে, বাকি অংশে সংস্কার চলছে। তবে রাতের মধ্যে বাপ্তা, ধনিয়া ও ইলিশা এলাকার কিছু পয়েন্টে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, দিনভর বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় জনজীবনে বিপর্যয় নেমে আসে। কর্মজীবী মানুষ দুর্ভোগে পড়েন। শহরের বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়রা জানান, ঝড়টি হঠাৎ আঘাত হানলেও ব্যাপক নয়, মাঝারি ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ঝড়ের পরপরই ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন সড়কে পড়ে থাকা গাছ অপসারণে কাজ শুরু করে। এতে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুজ্জামান বলেন, ঝড়ে কয়েকটি ইউনিয়নে ৩০ থেকে ৪০টি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের আবেদন সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট