
ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের চর রমেশ ১নং ওয়ার্ডে, ব্যাংকের হাট কো-অপারেটিভ কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ জিয়া উদ্দিন গংদের দীর্ঘদিনের ভোগ দখলীয় জমিতে অনাদিকার ভাবে প্রবেশ করে জোরপূর্বক জবর দখল করার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি ভূমিদস্যু চক্র। এ ব্যাপারে ভোলা সদর থানায় একটি অভিযোগ পত্র দাখিল করেছে অধ্যাপক জিয়া উদ্দিনের চাচাতো ভাই মোঃ মনির হাওলাদার।
থানার অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, চর রমেশ মৌজায় মৃত আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের ওয়ারিশগণ তাদের জমির সকল কাগজপত্র আপডেট রেখে দীর্ঘদিন যাবৎ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছিলো। কিছুদিন পূর্বে ওই জমির উপর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে স্থানীয় ভূমিদস্যু চক্রের মূলহোতা মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে আবুল কালাম গংদের । এ ভূমিদস্যু চক্রটি বিগত দিনে, মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে অধ্যাপক মোঃ জিয়া উদ্দিন গংদের ওই জমি হতে সমূলে উৎখাৎ করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের জাল বুনতে থাকে। উল্লেখ্য এ ব্যাপারে সুবিচার পেতে ২০২৫ সালে অধ্যাপক জিয়াউদ্দিন ভোলা সদর থানায় একটি অভিযোগ পত্র দাখিল করলেও কোন প্রকার সুফল মেলেনি তার ভাগ্যে। গত ২৫/০২/২৬ ইং তারিখ সকাল দশটার দিকে আবুল কালাম, জাফর আলী, মোহাম্মদ আলী, মোঃ সবুজ, নাজমা বেগম, মোসাম্মৎ সুন্দরী বেগম, রাহিমা বেগমসহ ২০/২৫ জনের একটি সঙ্গবদ্ধ সন্ত্রাসী দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অধ্যাপক জিয়াউদ্দিন গংদের ভোগ দখলীয় জমিতে প্রবেশ করে তাদের সৃজন করা গাছপালা কেটে সেখানে জোরপূর্বক ঘর তোলার চেষ্টা চালায়। এ সময় ভুক্তভোগীরা সন্ত্রাসীদের এই কাজে বাধা দিতে গেলে তাদেরকে অশ্লীল ভাষায় গাল মন্দ ও লাঞ্ছিত করে তারা। অন্যদিকে উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা ভুক্তভোগীদের প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।
উল্লেখ্য অধ্যাপক জিয়াউদ্দিনের কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখাগেছে গত ২২/০৩/১৭ সালে ভোলা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবুল কালাম গংরা নগদ তিন লক্ষ টাকা নিয়ে একটি আপস মীমাংসা করে। (ছলে নং-১৫৭)। কিন্তু বর্তমানে এ ভূমিদস্যুচক্র আপস মীমাংসার সকল নিয়ম ভঙ্গ করে নতুন করে আবার টাকা দাবি করে। সে টাকা না পেয়ে তারা বর্তমানে জোরপূর্ব এ জমি দখল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন, ভুক্তভোগী অধ্যাপক জিয়াউদ্দিন গংরা।