
পটুয়াখালী-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি জেনারেল ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের দেওয়া ১১ দলীয় জোটের সংবর্ধনা ও জনসভায় বিএনপির সহযোগী সংগঠনের এক নেতার উপস্থিতিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। রবিবার (২২শে ফেব্রুয়ারি) বাউফল পাবলিক মাঠে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদ্য সাবেক সদস্য সচিব প্রভাষক তারেককে দেখা যায়। অনুষ্ঠান চলাকালে ধারণ করা একটি ভিডিও থেকে নেওয়া স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ভাইরাল হওয়ার পর বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা সমালোচনা শুরু করেন।
ওই ছবিতে সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের পেছনে প্রভাষক তারেককে অবস্থান করতে দেখা যায়। ছবিটি ভাইরাল হওয়ার পর বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তা শেয়ার করে সমালোচনা করেন। কেউ কেউ অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন পর্যন্ত দলের প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে কাজ করেছেন প্রভাষক তারেকসহ কয়েকজন নেতা। এ নিয়ে দলীয় অভ্যন্তরে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ গণমাধ্যমকে বলেন, পটুয়াখালী-২ আসনে জামায়াতের বিজয় তাদের প্রত্যাশিত ছিল না। দলীয় অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে এমন ফল হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। বিষয়টি কেন্দ্রীয় দপ্তরে লিখিতভাবে জানানো হবে।সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, নির্বাচনে পরাজয়ের পেছনে দলীয় বিভক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ইতোমধ্যে নিজ দলের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন এমন কয়েকজন নেতার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।তবে এ বিষয়ে প্রভাষক তারেকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।ঘটনাটি নিয়ে পটুয়াখালীর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।