1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বোরহানউদ্দিনে নিখোঁজের দুই দিন পর শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার ভোলায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি ও পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষককে গণপিটুনি, পরে অব্যাহতি নতুন ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজতে শুরু ফুটবল ক্যাম্প-২০২৬ কালীগঞ্জে পিআইও কার্যালয় ঘিরে নানা অভিযোগ প্রকল্পের কাজ, বরাদ্দ ও বিল প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি চরফ্যাশনে ওমরপুরে স্ত্রী’র পরকীয়ায় প্রবাসী স্বামীর মানবেতর জীবন বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিবেচনায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রাজনীতির অন্যতম প্রধান উজ্জীবক। বরিশালে ওষুধ কারখানা বন্ধ ঘোষণা, দিনভর শ্রমিকদের বিক্ষোভ ভোলায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ভোলা-বরিশাল সেতু দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি

মুক্তিপণের পর ভোলার চার জেলে উদ্ধার, জলদস্যু ধরতে পারেনি পুলিশ

ভোলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২০৩ বার পড়া হয়েছে

ভোলার মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে জলদস্যুদের হাতে অপহৃত চার জেলে মুক্তিপণের বিনিময়ে মুক্তি পেয়েছেন। স্বজনদের উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া মাঝেরচর সংলগ্ন একটি চরে এসে ওঠেন তাঁরা। পরে নৌপুলিশ তাদের উদ্ধার করে।

উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন—বোরহানউদ্দিন উপজেলার জয়া ইউনিয়নের গঙ্গাপুর গ্রামের সিদ্দিক মাতাব্বরের ছেলে মহিউদ্দিন মাতাব্বর (৪০), টবগী ইউনিয়নের দালালপুর গ্রামের দ্বীন ইসলামের ছেলে মো. সবুজ (২২), একই গ্রামের মোতাহারের ছেলে বজলু মাঝি (৩৮) এবং কামাল মাঝির ছেলে শরীফ (৩০)।

ভুক্তভোগী জেলেদের স্বজনরা জানান, মুক্তির জন্য জলদস্যুরা নগদ ১ লাখ ১৭ হাজার টাকা দাবি করে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধের পর জেলেদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

মুক্তি পাওয়া জেলে মহিউদ্দিন মাতাব্বর ও শরীফ বলেন, গত ১১ জানুয়ারি রাত ১১টার দিকে বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড সংলগ্ন মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় ট্রলারযোগে একদল সশস্ত্র জলদস্যু এসে তাদের জিম্মি করে। চোখ বেঁধে তাঁদের লক্ষ্মীপুর সংলগ্ন একটি চরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মুক্তিপণের জন্য মারধর করা হয়। জলদস্যুদের হাতে অস্ত্র ছিল বলেও জানান তাঁরা।

তাঁরা আরও বলেন, সোমবার রাত ৯টার দিকে জলদস্যুরা আবার ট্রলারে তুলে নদীপথে নিয়ে যেতে শুরু করে। একপর্যায়ে নদীতে একটি অচেনা স্পিডবোট দেখতে পেয়ে জলদস্যুরা ভয়ে ট্রলার তীরে ঠেকিয়ে পালিয়ে যায়। তখন জেলেরা ট্রলার থেকে লাফ দিয়ে নিজেদের রক্ষা করেন। তবে জলদস্যুদের কাউকে চিনতে পারেননি বলে জানান তাঁরা।

বোরহানউদ্দিন নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনাতন চন্দ্র সরকার বলেন, অপহরণের খবর পেয়ে জেলেদের মোবাইল ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে চরে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জলদস্যুরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এখনো তাদের শনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলা হলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপকূলীয় নদীপথে জলদস্যুতা আবার বাড়ছে বলে স্থানীয় জেলেরা অভিযোগ করেছেন। তাঁদের দাবি, নিয়মিত টহল ও দ্রুত অভিযান জোরদার না হলে জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট