1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ভোলায় কিশোরী ক্লাবের সদস্যদের এসআরএইচআর, ওয়াশ ও পুষ্টিবিষয়ক ওরিয়েন্টেশন বোরহানউদ্দিনে নিখোঁজের দুই দিন পর শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার ভোলায় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি ও পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতামূলক সভা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষককে গণপিটুনি, পরে অব্যাহতি নতুন ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজতে শুরু ফুটবল ক্যাম্প-২০২৬ কালীগঞ্জে পিআইও কার্যালয় ঘিরে নানা অভিযোগ প্রকল্পের কাজ, বরাদ্দ ও বিল প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি চরফ্যাশনে ওমরপুরে স্ত্রী’র পরকীয়ায় প্রবাসী স্বামীর মানবেতর জীবন বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিবেচনায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রাজনীতির অন্যতম প্রধান উজ্জীবক। বরিশালে ওষুধ কারখানা বন্ধ ঘোষণা, দিনভর শ্রমিকদের বিক্ষোভ ভোলায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা

দুমকিতে পায়রার ভাঙনে চার পরিবারের বসতবাড়ি নদীগর্ভে, আতঙ্কে অর্ধশতাধিক পরিবার

ঢাকা বুলেটিন ডিজিটাল ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৪৩ বার পড়া হয়েছে

 

পটুয়াখালীর দুমকিতে আকস্মিক পায়রা নদীর ভাঙনে চার পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হঠাৎ এই ভাঙনে নদীপাড়ের বাহেরচর গ্রামের অর্ধশতাধিক পরিবার এখন তীব্র আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—ভাঙন ঠেকাতে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার রাতে, উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে। নদীতে তলিয়ে গেছে কোব্বাত হাওলাদারের ছেলে জাকির হাওলাদার (৫০), দলিল উদ্দিন ফকিরের ছেলে কুদ্দুস (৫৫), খালেক হাওলাদারের স্ত্রী আলেয়া বেগম (৭০) এবং মৃত নজরুলের স্ত্রী লাভলী বেগমের বসতভিটা।

সরেজমিনে দেখা গেছে—ভয়াবহ ভাঙনে ঘরবাড়ি, গাছপালা এমনকি স্থানীয় কবরস্থান পর্যন্ত নদীতে বিলীন হয়েছে। সহায়-সম্বল হারানো পরিবারগুলো এখন পাউবো ভেড়িবাঁধের পাশে ঝুপড়ি তুলে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। কেউ কেউ নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে গ্রাম ছেড়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানান, গত ৫০ বছরে পায়রা নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবার জমি ও ঘর হারিয়েছে, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেয়নি প্রশাসন।

আঙ্গারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. জিল্লুর রহমান সোহরাব হোসেন বলেন, “ভাঙনে বাহেরচর গ্রাম প্রায় নিশ্চিহ্ন। অবশিষ্ট অংশও ভাঙছে। ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য সহায়তা ও আশ্রয়ণ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. এজাজুল হক বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী সহায়তা দেওয়া হবে।”

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব জানান, “অদূরে একটি মেন্টেন্যান্স প্রকল্প চলছে, তবে সেটি দিয়ে পুরো ভাঙন ঠেকানো সম্ভব নয়। এলাকাটির জন্য সমীক্ষা অনুমোদন হয়েছে, দ্রুত কাজ শুরু হবে।”

স্থানীয়দের আশঙ্কা—দ্রুত নদী তীর সংরক্ষণ বাঁধ ও জরুরি সুরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে পুরো বাহেরচর গ্রাম মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট