1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
আগামী বছর এসএসসি শুরু ৭ জানুয়ারি, এইচএসসি ৬ জুন; সেশনজট কমাতে নতুন সূচি লংগদুতে দেদারছে পাহাড় কাটা, বিক্রি হচ্ছে মাটি ভোলায় ৫৮ দিনের জেলে নিষেধাজ্ঞায় ১ কোটি টাকার সামুদ্রিক মাছ জব্দ বাউফলে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি: পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, জিডি গ্রহণে অনীহা পটুয়াখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্র্যাকের ক্লিনিং ক্যাম্পেইন, জনসচেতনতায় জোর মির্জাগঞ্জে ২২ লাখ টাকার ‘কালো মানিক’: খালেদা জিয়াকে উপহার দেওয়া ষাঁড় এখন বিক্রির জন্য কলাপাড়ায় কলেজ শিক্ষককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে সহকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণের নির্দেশ বাউফলে নিখোঁজ চার কিশোরী চারদিন পর গাজীপুর থেকে উদ্ধার পটুয়াখালীতে সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন নিয়ে প্রেস ব্রিফিং হানি ট্র্যাপে ব্ল্যাকমেইল করে ১৫ লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগে বিএনপি নেতাসহ তিনজন গ্রেপ্তার

দুমকিতে পায়রার ভাঙনে চার পরিবারের বসতবাড়ি নদীগর্ভে, আতঙ্কে অর্ধশতাধিক পরিবার

ঢাকা বুলেটিন ডিজিটাল ডেস্ক
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

 

পটুয়াখালীর দুমকিতে আকস্মিক পায়রা নদীর ভাঙনে চার পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হঠাৎ এই ভাঙনে নদীপাড়ের বাহেরচর গ্রামের অর্ধশতাধিক পরিবার এখন তীব্র আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—ভাঙন ঠেকাতে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার রাতে, উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে। নদীতে তলিয়ে গেছে কোব্বাত হাওলাদারের ছেলে জাকির হাওলাদার (৫০), দলিল উদ্দিন ফকিরের ছেলে কুদ্দুস (৫৫), খালেক হাওলাদারের স্ত্রী আলেয়া বেগম (৭০) এবং মৃত নজরুলের স্ত্রী লাভলী বেগমের বসতভিটা।

সরেজমিনে দেখা গেছে—ভয়াবহ ভাঙনে ঘরবাড়ি, গাছপালা এমনকি স্থানীয় কবরস্থান পর্যন্ত নদীতে বিলীন হয়েছে। সহায়-সম্বল হারানো পরিবারগুলো এখন পাউবো ভেড়িবাঁধের পাশে ঝুপড়ি তুলে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। কেউ কেউ নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে গ্রাম ছেড়ে যাচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানান, গত ৫০ বছরে পায়রা নদীর ভাঙনে শতাধিক পরিবার জমি ও ঘর হারিয়েছে, কিন্তু স্থায়ী সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেয়নি প্রশাসন।

আঙ্গারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. জিল্লুর রহমান সোহরাব হোসেন বলেন, “ভাঙনে বাহেরচর গ্রাম প্রায় নিশ্চিহ্ন। অবশিষ্ট অংশও ভাঙছে। ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য সহায়তা ও আশ্রয়ণ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. এজাজুল হক বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী সহায়তা দেওয়া হবে।”

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব জানান, “অদূরে একটি মেন্টেন্যান্স প্রকল্প চলছে, তবে সেটি দিয়ে পুরো ভাঙন ঠেকানো সম্ভব নয়। এলাকাটির জন্য সমীক্ষা অনুমোদন হয়েছে, দ্রুত কাজ শুরু হবে।”

স্থানীয়দের আশঙ্কা—দ্রুত নদী তীর সংরক্ষণ বাঁধ ও জরুরি সুরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে পুরো বাহেরচর গ্রাম মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট