1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মনপুরায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলের খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, তিন জেলে আটক, জেল হাজতে প্রেরণ ভোলা ভেদুরিয়া সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (ভিএসডিএফ)-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন মেঘনায় হারিয়ে গেছে ভবানীপুর, দাদার গল্পেই বেঁচে ছিলো সেই বাড়ি ঢাকায় কাচিয়া ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইউসুফ পাকিস্তান সফরে জিজেইউএসের ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল, নেতৃত্বে জাকির হোসেন মহিন ভোলায় অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করল সেবা তরঙ্গ সংগঠন রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পবিপ্রবির শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু সাইবার প্রতারণা ও আইডি হ্যাকিংয়ের অভিযোগে নাগরিকদের জন্য সিআইআরএস প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন দশমিনায় গণঅধিকার পরিষদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত রাঙ্গাবালীতে এইচএসসি উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিতর্ক: পরীক্ষকের বদলে শিক্ষার্থীদের হাতে খাতা, ভিডিও ভাইরাল

এক সপ্তাহেই হারালেন স্ত্রী-সন্তান, শেষে নিজেও চলে গেলেন… আগুনে ভস্মীভূত হলো পটুয়াখালীর রিপনের স্বপ্নের সংসার

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

জীবিকার তাগিদে স্বপ্ন নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন রিপন প্যাদা। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন ছোট্ট একটি সংসার। কিন্তু এক ভয়াবহ আগুনে এক সপ্তাহেই হারালেন পরিবার—প্রথমে মেয়ে, তারপর দুই ছেলে, স্ত্রী এবং সবশেষে নিজেও চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার যুগিরহাওলা গ্রামের বাসিন্দা রিপন প্যাদা (৩৫) বছর সাতেক আগে জীবিকার খোঁজে ঢাকায় পাড়ি দেন। শুরু করেন ভ্যান চালানো। তিন বছর আগে স্ত্রী চাঁদনী বেগম (৩০), দুই ছেলে তামিম (১৬) ও রোকন (১৩) এবং পরে দেড় বছরের মেয়ে আয়েশাকে নিয়ে আসেন ঢাকায়।

সূত্রাপুরের কাগজি টোলায় পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় একটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন তারা। গড়ে উঠেছিল ছোট, কিন্তু আনন্দে ভরা এক পরিবার।

১১ জুলাই গভীর রাতে সেই বাসায় ঘটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সবাই ছিলেন ঘুমন্ত অবস্থায়। দগ্ধ হন পরিবারের পাঁচ সদস্যই। সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভর্তি করা হয় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে

  • ১৪ জুলাই: প্রথম মৃত্যু হয় শিশু আয়েশার।

  • ১৬ জুলাই: মারা যায় দুই ভাই, তামিম ও রোকন।

  • একই দিন: মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্সেই মারা যান মা চাঁদনী।

  • ১৮ জুলাই: মৃত্যুর একদিন পর রাতেই খবর আসে, রিপনও মারা গেছেন।

  • আয়েশা: জুরাইন কবরস্থানে

  • তামিম ও রোকন: যুগিরহাওলা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে

  • চাঁদনী: পিত্রালয় সামুদাবাদ গ্রামে

  • রিপন: দুই ছেলের পাশেই

রিপনের বৃদ্ধা মা জরিনা বেগম ছিলেন গ্রামের বাড়িতে। ছেলের পাঠানো টাকায় চলতো তার দিন। এখন একমাত্র ছেলেকেও হারিয়ে শোকে পাথর হয়ে গেছেন তিনি। বলার শক্তি নেই, শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছেন। কেবল একটাই কথা, “আল্লাহ ছাড়া আমার আর কেউ নাই…

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম বলেন, “এটি হৃদয়বিদারক ঘটনা। একটি পরিবারের পাঁচজন একসাথে মারা গেছে। এমন মর্মান্তিক মৃত্যু আমরা কখনো দেখিনি। সরকারের উচিত রিপনের মায়ের পাশে দাঁড়ানো।”

রিপনের ফুফাতো ভাই সিরাজ হোসেন বলেন, “তারা খুব সাধারণ মানুষ ছিল। কীভাবে আগুন লাগল, এখনো কেউ নিশ্চিত না।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট