1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পটুয়াখালীতে শিক্ষার্থীদের দুর্নীতিবিরোধী মনোভাব গড়তে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ পবিপ্রবিতে তিন অনুষদের শিক্ষকদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময়, উৎকর্ষের অঙ্গীকার পটুয়াখালীতে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ আটক পটুয়াখালীতে ১ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার দশমিনায় ১৫ লাখ গলদা-বাগদা রেণু জব্দ, চালকের কারাদণ্ড মির্জাগঞ্জে হত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সোহাগ মৃধা পটুয়াখালীতে বেড়িবাঁধ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত ২০ কুয়াকাটায় ১ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার পটুয়াখালীতে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শিশুশ্রম বন্ধে ৫ দফা দাবি ভোলায় মোবাইল সার্ভিসিং ট্রেডে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী

পটুয়াখালীর ২২ গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপন, উৎসবে মাতোয়ারা গ্রামবাসী

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৫
  • ১২২ বার পড়া হয়েছে

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পটুয়াখালীর ২২ গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ রবিবার ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে। সকাল থেকেই এসব গ্রামে এক উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিল। নতুন পোশাক পরা শিশুদের আনন্দ, বাড়ির আঙিনায় নারীদের ব্যস্ততা, ঈদগাহমুখী মানুষের ঢল—সব মিলিয়ে ঈদের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।

সকালে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর দরবার শরীফেও ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের উত্তর নিশানবাড়িয়া জাহাগিরিয়া শাহ্সূফি মমতাজিয়া দরবার শরীফ মাঠে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সকাল পৌনে নয়টায় অনুষ্ঠিত এই জামাতে হাজারো মুসল্লি অংশ নেন।

নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন, ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ঈদ উদযাপনের এই বিশেষ ঐতিহ্য পটুয়াখালীর গ্রামগুলোতে চলে আসছে প্রায় একশ বছর ধরে। চট্টগ্রামের এলাহাবাদ সুফিয়া ও চানটুপির অনুসারী হিসেবে পরিচিত এই মুসল্লিরা সৌদি আরবের চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রোজা ও ঈদ পালন করেন। তাই তারা বরাবরের মতো এবারও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগেই ঈদ উদযাপন করলেন।

ঈদের দিন সকাল থেকেই এসব গ্রামে আনন্দের জোয়ার বইছিল। পুরুষেরা ঈদগাহমুখী হলে, ঘরের ভেতর ব্যস্ত হয়ে পড়েন নারীরা। রান্নার খোঁজখবর নেওয়া, অতিথিদের আপ্যায়নের প্রস্তুতি নেওয়া—সব মিলিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। নামাজ শেষে বাড়িতে ফিরেই শুরু হয় মিষ্টিমুখ। কোথাও সেমাই-পায়েস, কোথাও আবার বিরিয়ানি—ঈদ উপলক্ষে তৈরি করা নানা রকম খাবারে মুখর হয়ে ওঠে প্রতিটি পরিবার।

শিশুদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। নতুন পোশাকে সেজেগুজে তারা ছোটাছুটি করছিল, আনন্দ ভাগাভাগি করছিল বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে। ঈদ মানেই তাদের জন্য বাড়তি আনন্দ, নতুন জামা-কাপড়, মজাদার খাবার আর উপহারের হাতছানি।

এবারের ঈদকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে বাড়তি আনন্দ ছিল। কেউ আত্মীয়স্বজনের বাড়ি বেড়াতে যাচ্ছিলেন, কেউ আবার প্রতিবেশীদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে উঠেছিলেন। বহুদিন পর ঈদের দিনে দেখা হওয়া অনেকেই আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

পটুয়াখালীর গ্রামগুলোতে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগাম ঈদ উদযাপনের এই রীতি বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি শুধু ধর্মীয় উৎসবই নয়, বরং পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার এক উপলক্ষ হিসেবেও দাঁড়িয়েছে। বাড়ির উঠোনে বড়দের গল্প, ছোটদের কোলাহল, সবার মিলিত হাসিমুখ—সব মিলিয়ে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে প্রতিটি ঘরে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট