
ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগন অফিস না করাতে মানুষের দূর্ভোগ বেড়ে চলছে।নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার ৭নং শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক সাহেবের কার্যালয়ে গিয়ে কোন দিনই দেখা মেলে না।
মানুষ সেবা নিতে এসে বিভ্রান্তির স্বীকার হচ্ছে।এটার একটা ব্যবস্থা হওয়া দরকার।কিছু কিছু সময় শোনা যাচ্ছে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও মেম্বার পদ বিলুপ্ত হবে।কিন্তু তাও বাস্তবায়ন হচ্ছে না।বাংলাদেশ সরকারের দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টা মন্ডলীদের প্রতি আকুল আবেদন যে সিদ্ধান্ত নিবেন তা তাড়াতাড়ি নিলে অন্তত জনমনে স্বস্থি বিরাজ করবে।সেবা নিতে আসা মানুষ আর হয়রানিতে পড়বে না।
এখন যে কোন কাজ করতে গেলে কিছু কাজে জন্ম নিবন্ধন আবশ্যক আবার কিছু কাজ আছে যেখানে চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রত্যয়ন ও নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট ছাড়া কাজ হয় না।তাহলে এ গ্রামের সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে।রাষ্ট্র প্রধানত গঠিত হয় জনগন দ্বারাই আর যদি সে রাষ্ট্রের জনগন সমস্যায় থাকে তাহলে তো রাষ্ট্রের তো মূল্য থাকে না।
সেবা নিতে আসা জনগন বলছেন, সরকার যে কোন নিদিষ্ট সিদ্ধান্ত নিলে আমরা উপকৃত হতাম অথবা যে চেয়ারম্যানগণ নিয়মিত অফিস কার্য পরিচালনা করছেন না তাদেরকে অপসারণ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়কে দায়িত্ব অর্পন করা হোক।একজন প্রতিনিধির কারনে তো এত জনগোষ্ঠী কে হয়রানি করা যায় না।মাঝি ছাড়া যেমন নৌকাকে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌছানো যায় না তেমনি একটি অফিসের প্রধান ছাড়া মাঝি ছাড়া নৌকার মতো অবস্থা হবে বলে মনে করছেন এলাকার জনগন।কেন?চেয়ারম্যান সাহেব অফিস করছেন না তা জনগনের মাথায় আসে না।
সচিব কে চেয়ারম্যানের কথা বললে বলেন তিনি কিছু জানেন না এ বিষয়ে ।তিনি আরও বলেন চেয়ারম্যান সাহেব ছুটি নেন না কিন্তু অফিসে আসেন না বা কাহকে দায়িত্ব ও দেন না বলে জানিয়েছেন নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার ৭নং ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সাহেব জনাব মোঃ আমিরুল ইসলাম।
এ সমস্ত বিষয় পরিদর্শন করে জনগনের আস্থার একটি প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন পরিষদ যেন হয়।আমরা জনগনের দাবি সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাগণ এ বিষয়গুলো বিবেচনা পূর্বক জনগনের সেবার পথ প্রসারিত করবেন।