বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এক দফা দাবিতে শিক্ষার্থী জনতার তোপের মুখে পড়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশত্যাগের খবরে ভোলায় বিজয় মিছিল করছে হেফাজত ইসলাম ভোলা জেলা শাখা। এর আগে নিহত ছাত্র
বেতন, ছুটি, নিরাপত্তাসহ নানা দাবিতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পুলিশের এই পদক্ষেপ। পটুয়াখালী জেলার পুলিশ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের ১১ দফা দাবিতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন। তাদের
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়। আদেশে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান রেজিস্ট্রার
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা গতকাল রাতে এক অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছেন। এই ঘোষণা বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন
আপনারা জানেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে আজ বঙ্গভবনে তিন বাহিনীর প্রধান
রাজধানীতে সন্ধ্যা থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কয়েকটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে তিনটি প্রধান নিউজ চ্যানেল – সময় নিউজ, একাত্তর নিউজ এবং এটিএন নিউজের
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হবে। সোমবার (৫ আগস্ট) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। এর আগে সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি তার বাসভবন
আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে আন্দোলনকারীদের প্রস্তাবিত সরকারের কাছেই ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে বলে জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। সোমবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর
পটুয়াখালীতে আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়, দলীয় এমপি-মেয়র ও নেতৃবৃন্দ’র বাসায় দফায় দফায় হামলা ও ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে জেলা ও বিভিন্ন উপজেলায় স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালগুলো। সোমবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৩টার
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে আজ সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে অন্তর্বতীকালীন সরকার গঠনের লক্ষ্যে সেনাপ্রধান, নৌপ্রধান ও বিমান বাহিনীর প্রধান এবং দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।