1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
জেইউটিটিআইতে বিভিন্ন পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ঈদে কেন ভোলা ঘুরতে আসবেন? ঝালকাঠিতে ভেকু মেশিনের ধাক্কায় ব্র্যাকের মাঠকর্মী নিহত ঢাকায় ঝুম বৃষ্টি, ঈদযাত্রায় ভোগান্তি ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কে বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে ৫ নিহত বরিশালের ১৩০ বছরের পুরনো ‘লাল বিল্ডিং’ আদালত: বিচারপ্রার্থীদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে ১৭ বছরেও আইলার দগদগে ক্ষত, চরমোন্তার মানুষের আতঙ্কে দিন কাটে ইসলামী ব্যাংকের টাকা ছিনতাই মামলার আসামি ‘কসাই রনি’ গ্রেপ্তার ভোলার গজারিয়া পশুর হাট: আড়াইশ বছরের ঐতিহ্য, খাজনামুক্ত বেচাকেনা ভোলা-ঢাকা নৌরুটে যাত্রী হয়রানি বন্ধে ১৪ দফা দাবি, ইলিশা ঘাটে অবস্থান কর্মসূচি

বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের ফাঁদে পা দিয়ে যৌক্তিক আন্দোলন বেহাত, ধ্বংসস্তুপ হলো দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুলাই, ২০২৪
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ যখন সরকারে আসে, আজকের তরুণ শিক্ষার্থীদের অনেকেই তখন শিশু। তারা ৭৫-পরবর্তী সময়কার নৈরাজ্য-স্বৈরশাসন, ২০০১-২০০৬ আমলে বিএনপি-জামায়াতের ভয়াবহ নৃশংসতা ও হত্যাযজ্ঞ দেখেনি। জামায়াত-শিবির কিলিং মিশন চালিয়ে ছাত্রদল, ছাত্রলীগ, বাম দলগুলোর কর্মী, প্রগতিশীল শিল্পী, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীসহ হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছিল নৃশংসভাবে, প্রকাশ্যে, এমনকি শিক্ষাঙ্গনেই। এসব কি এই প্রজন্ম জানে? শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক কোটা আন্দোলন বেহাত হয়েছে সেই খুনিদের কাছে। মগজধোলাইয়ের শিকার শিক্ষার্থীরা বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের ক্রীড়নক হয়ে সহিংসতায় যোগ দিল। কোটা আন্দোলন পুঁজি করে সরকার পতনের অপরাজনীতির বলি হলো। বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের অপরাজনীতির শিকার হয়ে সহিংসতায় নেমে প্রাণ গেল যাদের, কিংবা নাশকতার দায়ে গ্রেপ্তার হলো যারা, চাকরি দূরে থাক, তাদের পরিবারের কী হবে? এসব কি শিক্ষার্থীরা ভেবেছিল? অথচ যাদের নির্দেশে তারা জ্বালাও-পোড়াও, সহিংসতা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, সেই বিএনপি ও জামায়াত-শিবির নেতারা কিন্তু শিক্ষার্থীদের দায় নেবে না। কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শী নয়, এমন শিক্ষার্থীদের লাশ নিয়েও রাজনীতি করছে তারা। অর্থাৎ বাঁচুক-মরুক, দুইভাবেই শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছে কুচক্রীরা। আন্দোলনে যারা হতাহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে খেটে খাওয়া শ্রমিক, দিনমজুর, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও ছিলেন। সহিসংতা থেকে জনগণকে নিরাপত্তা দিতে গয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনেক সদস্য শহিদ হলেন, আহত হলেন কয়েক হাজার। যে দোকান কর্মচারীর হাত-পায়ের রগ কেটে ছাদ থেকে নিচে ফেলে হত্যা করা হলো, তার অপরাধ কী? পেটের দায়ে রাস্তায় বেরোনো যে শ্রমিকের রিক্সা বা সিএনজি অটোরিক্সা পুড়িয়ে দেওয়া হলো, যে ব্যবসায়ীর দোকান লুট করা হলো, এক সপ্তাহ পণ্য বিক্রি করতে না পেরে ফুটপাতের যে ব্যবসায়ীর সব কাঁচা সব্জি পচে গেল, কিংবা সংঘর্ষে হতাহত হলো যে গার্মেন্টস শ্রমিক, তাদের পরিবারের সদস্যরা কি মানুষ নয়? সাধারণ মানুষকে কেন এই দুর্ভোগ পোহাতে হলো? শিক্ষার্থীদের সাথে তো সাধারণ মানুষের বিরোধ ছিলনা। বিভিন্ন জায়গায় থানা, সরকারি অফিস ও গাড়ি, স্থাপনা, মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য, ফায়ার স্টেশন, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দপ্তর, মেট্রোরেলসহ সব জ্বালিয়ে পুড়িয়ে, ধ্বংস করে, লুটতরাজ চালিয়ে যে অরাজকতা চালানো হলো আন্দোলনের নামে, এই আন্দোলনই কি শিক্ষার্থীরা চেয়েছিল? কিংবা এই বাংলাদেশই কি চেয়েছিল তারা? এতে কি দেশ ও মানুষের কল্যাণ হলো? নিজেদের মেধাবি দাবি করে যে শিক্ষার্থীরা, তারা যে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের ধ্বংসাত্মক রাজনীতির বলির পাঁঠায় পরিণত হলো, তা কি বুঝতে পেরেছে? প্রশ্ন রইল।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট