1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষককে গণপিটুনি, পরে অব্যাহতি নতুন ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজতে শুরু ফুটবল ক্যাম্প-২০২৬ কালীগঞ্জে পিআইও কার্যালয় ঘিরে নানা অভিযোগ প্রকল্পের কাজ, বরাদ্দ ও বিল প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি চরফ্যাশনে ওমরপুরে স্ত্রী’র পরকীয়ায় প্রবাসী স্বামীর মানবেতর জীবন বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিবেচনায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রাজনীতির অন্যতম প্রধান উজ্জীবক। বরিশালে ওষুধ কারখানা বন্ধ ঘোষণা, দিনভর শ্রমিকদের বিক্ষোভ ভোলায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ভোলা-বরিশাল সেতু দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি মাহিন্দ্রাকে সাইড দিতে গিয়ে বরিশালে বাস খাদে, অল্পের জন্য রক্ষা ৩৫ যাত্রী ভোলায় ডিবেট ক্লাবের আন্তঃস্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা

বাউফলে চাঁদা বিরোধের ঘটনায় পিটুনিতে নিহত উজ্জল, ‘নিরাপরাধ’ দাবি স্বজনদের

ঢাকা বুলেটিন ডিজিটাল ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৯৭ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর বাউফলে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় পিটুনিতে নিহত উজ্জল কর্মকারকে ‘নিরাপরাধ’ দাবি করেছেন স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং ইতোমধ্যে একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরওয়াডেল এলাকায় তরমুজ খেতকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে উজ্জল কর্মকার (৪০) নিহত হন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কৃষক মো. ফিরোজ গাজীর কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে প্রথমে মারধরের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন কয়েকজন ব্যক্তি গিয়ে ফিরোজ গাজীকে মারধর করলে পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় অভিযুক্তদের আটক করে পিটুনি দেয়। এ সময় উজ্জল কর্মকারও মারাত্মকভাবে আহত হন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

স্বজনদের দাবি, উজ্জল কর্মকার মারামারিতে জড়িত ছিলেন না। তিনি মূলত ঘুরতে গিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশও একই বক্তব্য দিয়েছেন—উজ্জল কোনো হামলায় অংশ নেননি।

স্থানীয়দের মতে, মূল বিরোধটি জমি ও তরমুজ ক্ষেত দখল এবং চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

নিহত উজ্জলের বাড়ি কালাইয়া এলাকায়। পেশায় তিনি স্বর্ণের দোকানের কারিগর ছিলেন। এলাকাবাসীর ভাষ্য, তিনি শান্ত স্বভাবের ও নিরীহ মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো অভিযোগ ছিল না।

ঘটনার পর নিহতের বড় ভাই অমৃত কর্মকার বাদী হয়ে ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৫-২০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে বাউফল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ ঘটনায় প্রধান আসামিসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে এবং নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করা হবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট