
দৌলতখান উপজেরার মদনপুর চরে ইউসুফ নামের এক পাষন্ড বাবা নিজের মেয়েকে জোরপূর্ব ৭ মাস ধরে ধর্ষন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইউসুফকে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা সংকট বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ভিকটিমের পরিবার জানান, মদনপুরের বাসিন্দা কৃষক ইউসুফ দুই বিয়ে করেন।
পারিবারিক কলহের জের ধরে ২য় স্ত্রী তাসলিমাকে বেগম দেড় বছর আগে ঘর থেকে বের করে দেয় ইউসুফ হোসেন।
এরপর চরফ্যাশনে অবস্থান করা তার প্রথম স্ত্রীর কাছে রেখে দেয় ভিকটিম মেয়েকে। সেখান থেকে পুনরায় মোয়েকে নিজের কাছে রাখে।
গত সাত মাস ধরে ওই মেয়েকে ঘরে একা পেয়ে নির্যাতন করে। এক পর্যায়ে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে মেয়েছি। বিষয়টি জানাজানি হলে ভিকটমের মা স্বামীর বাড়ি এসে মেয়েকে ভোলার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করায়। তার মেডিকেল পরীক্ষা নিরিক্ষা সম্পন্ন হয়।
ভিকটিম মেয়ে অভিযুক্ত বাবার বিচার চেয়ে বলেন, বাবার এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে কোন বাবা তার মেয়ের সাথে এমন আচারণ না করে।
ভিকটিমে মা তাসলিমা বলেন, মেয়ের সাথে এমন আচার করবে বলেই তাকে পাষন্ড বাবা মেয়েকে ঘরে রেখেছে। তার শাস্তি চাই
এদিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরনের কারনে শারিরিকভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে ভিকটিম। তবে তার অবস্থা আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতির দিকে।
ভোলা সদর জাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স মুক্তা আক্তার বলেন, চিকিৎসক তার পরীক্ষা নিরিক্ষা করিয়েছে, এখন তার অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে।
এ ব্যাপারে ভোলা সদর সার্কেলে সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ ইব্রাহিম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাবাদের পর আইনগত ব্যবস্থা নিতে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।
এদিকে বাবা কর্তৃক মেয়ে ধর্ষনের খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে পুরো জেলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্ত ইউসুফের শাস্তি চেয়েছেন সচেতনমহল।