1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কুয়াকাটার সীমা বৌদ্ধবিহার পরিদর্শনে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা বরিশালে আদালত ভবন থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু ভোলায় নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুরে মিলল প্রতিবন্ধী যুবকের মরদেহ পটুয়াখালীতে অপহৃত কিশোরীকে ১০ ঘণ্টার মধ্যে কেরানীগঞ্জ থেকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ ভোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ৭ জনের কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা অধ্যক্ষের ওপর হামলার প্রতিবাদে ভোলা জেলা শিক্ষক সমাজের সংবাদ সম্মেলন ও স্মারকলিপি প্রদান ছাত্রকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস, অভিভাবকের ৩ মাসের কারাদণ্ড ভাঙা মেরুদণ্ড থামাতে পারেনি সালাউদ্দিনকে, এখন তিনিই পরিবারের ভরসা ধর্ষণের শিকার প্রতিবন্ধী তরুণী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার উজিরপুরে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল তিন কিশোরের

বরিশালে মাসে তিন লাখ টাকা ভাড়া, অচল যন্ত্রে আটকে ১৫০ কোটি

বরিশাল প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রকল্প বাতিল হলেও বিপুল ব্যয়ে কেনা যন্ত্রগুলো এখনো গুদামেই পড়ে আছে। বরিশাল বিভাগে অচলপ্রায় এসব ইভিএম সংরক্ষণ করতে প্রতি মাসে প্রায় তিন লাখ টাকা গুদাম ভাড়া গুনতে হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় সরকারি অর্থের অপচয় অব্যাহত রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার গুদামে বর্তমানে চার হাজারের বেশি ইভিএম সংরক্ষিত রয়েছে, যার মোট ক্রয়মূল্য প্রায় ১৫০ থেকে ১৫৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যন্ত্র ইতোমধ্যে অকেজো হয়ে পড়েছে।

স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ চালুর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০১৯ সালের মে মাসে বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে প্রথম ধাপে ২ হাজার ২৬৮টি ইভিএম সরবরাহ করা হয়। পরে পর্যায়ক্রমে পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠি জেলায় আরও ২ হাজার ৮১৯টি মেশিন পাঠানো হয়।

কয়েকটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সীমিত পরিসরে এসব যন্ত্র ব্যবহার করা হলেও পরবর্তীতে নানা প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দেয়। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং ব্যবহার বন্ধ থাকার কারণে অনেক মেশিন অচল হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালে ইভিএম প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।

বরিশালের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, বরিশাল ও পটুয়াখালীর গুদামে ইভিএম সংরক্ষণে প্রতি মাসে প্রায় ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে। গত সাড়ে তিন বছরে শুধু গুদাম ভাড়াই পরিশোধ করা হয়েছে ২ কোটি ৪২ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। তিনি বলেন, নির্দেশনা অনুযায়ী যন্ত্রগুলো গুদামে রাখা হয়েছে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সেগুলো একই অবস্থায় থাকবে। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়া ইলেকট্রনিক যন্ত্র সংরক্ষণ করলে ত্রুটি দেখা দেওয়া স্বাভাবিক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল জেলা শাখার সম্পাদক রনজিত দত্ত বলেন, বড় অঙ্কের সরকারি অর্থ ব্যয়ের আগে প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা আরও যাচাই করা প্রয়োজন ছিল। বর্তমানে অকার্যকর যন্ত্র গুদামে রেখে নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করা রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রকল্প বাতিলের পর ইভিএমগুলোর ভবিষ্যৎ ব্যবহার, পুনর্ব্যবহার, নিলাম বা প্রযুক্তিগত পুনর্মূল্যায়ন বিষয়ে দ্রুত নীতিগত সিদ্ধান্ত না হলে সরকারি অর্থের অপচয় আরও বাড়বে। বর্তমানে যন্ত্রগুলো গুদামেই পড়ে থাকায় ব্যয় বাড়লেও কার্যকর কোনো ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট