1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ভোলায় বেড–মাদা পদ্ধতিতে লবণ সহিষ্ণু সবজি চাষে সাড়া, বদলাচ্ছে নারীদের আয় ও আঙিনার চিত্র অভিযানের পর ও কমলগঞ্জে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে মরিয়া রাজনগরে ধর্ষণচেষ্টার অভিযুক্ত আটক ভোলায় মালচিং পেপার ব্যবহারে টেকসই সবজি চাষে উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ভোলায় রেইজ প্রকল্পের আওতায় পাঁচ দিনব্যাপী জীবন দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শুরু রোমান্টিক’ ধোলাই! মৌলভীবাজারে রোমিওর কপালে গণপিটুনি! দুই উপজেলায় চার এমপি ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে এক কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক চীন ৫৩টি আফ্রিকান দেশ থেকে আমদানিতে শূন্য শুল্ক আরোপ করবে ভারতের মন্ত্রিসভা ১.৬ লাখ কোটি টাকার অবকাঠামো, নগর ও স্টার্টআপ প্রকল্প অনুমোদন করেছে

স্বাভাবিক প্রসবের জন্য ইনজেকশন দেওয়ার পর প্রসূতির মৃত্যু, হাসপাতালে ভাঙচুর

ভোলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

ভোলায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে সাবিহা আক্তার (২০) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালটিতে ভাঙচুর চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও নৌবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

সোমবার (—) দুপুরে ভোলা সদর রোডের হাবিব মেডিকেল সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাবিহা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের মহাজনের পুল এলাকার মো. নাহিদের স্ত্রী এবং ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি এলাকার আবুল কালামের মেয়ে।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা সাবিহা আক্তারকে দুপুর ১২টার দিকে সুস্থ অবস্থায় হেঁটে হাবিব মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে চিকিৎসক স্বাভাবিক প্রসব হবে বলে জানান। পরে হাসপাতালের এক কর্মী প্রসবের জন্য তাকে ভর্তি করতে বাধ্য করেন। কিছুক্ষণ পর প্রসবব্যথা বাড়ানোর জন্য এক নার্স তাকে একটি ইনজেকশন দেন। ইনজেকশন দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই সাবিহার শ্বাসকষ্ট শুরু হয় এবং তিনি নিস্তেজ হয়ে মারা যান।

স্বজনরা জানান, ঘটনার পর হাসপাতালের নার্স ও চিকিৎসকরা কৌশলে সরে পড়েন। সাবিহাকে ঠিক কোন চিকিৎসক দেখেছিলেন, সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কেউ নাম জানাতে পারেননি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয়ে হাসপাতালের ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

তবে হাবিব মেডিকেল সেন্টারের স্টাফ রাজীব ভুল চিকিৎসার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই রোগীর অবস্থা গুরুতর ছিল। চিকিৎসায় কোনো ত্রুটি হয়নি।

হাসপাতালটির পরিচালনাকারী মো. সাদেক বলেন, পারভীন নামে একজন গাইনি চিকিৎসক ওই প্রসূতিকে দেখছিলেন। তাঁর পরামর্শেই ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। ঘটনার সময় তিনি জুমার নামাজে ছিলেন। বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহিম জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত চিকিৎসক, নার্সসহ সংশ্লিষ্টদের আটকের চেষ্টা চলছে। নিহতের পরিবার মামলা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ভোলার সিভিল সার্জন ডা. মুহা. মনিরুল ইসলাম বলেন, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কোন ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে—তা জানতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেখাতে পারেনি। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। গাফিলতি প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট