
পটুয়াখালী পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড এলাকার মুন্সি বাড়ির সামনে বহালগাছিয়া কচুরিপানা ভরা খাল থেকে ৫৯ বছর বয়সী পিয়ারা বেগমের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে স্থানীয়রা ও পিয়ারা বেগমের ছোট ছেলে সুমন লাশটি শনাক্ত করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন এবং সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত ২১ জানুয়ারি বুধবার সন্ধ্যা থেকে পিয়ারা বেগম নিখোঁজ ছিলেন। স্থানীয় কালাম মুন্সি জানান, পিয়ারা বেগমের ছোট ছেলে সুমনকে নিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর শনিবার আনুমানিক দুপুর ১টার দিকে বাড়ির সামনে রাস্তার দক্ষিণ পাশে বহালগাছিয়া খালপাড়ে একটি বস্তা দেখতে পান। বস্তার মুখ খুলে পিয়ারা বেগমের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে এসআই (নিরস্ত্র) খায়রুল আলম লাশের সুরতহাল শেষ করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামানের ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তিনি জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
পিয়ারা বেগমের স্বামী খালেক মিস্ত্রী কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। তার দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে বলে স্বজনরা জানান। স্থানীয়রা জানান, পিয়ারা বেগম একজন ভালো মহিলা ছিলেন। তার লাশ উদ্ধারের খবরে শত শত নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।
এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে। স্থানীয়রা এই ঘটনায় গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।