1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শ্রীমঙ্গলে যানজট নিরসনে প্রসাশনের সতর্কতা পটুয়াখালীতে ২০০ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করল কলেজ ছাত্র শুভ ঢালী নিখোঁজের ১দিন পর রিপনের লাশ নদীর পাড় থেকে উদ্ধার কমলগঞ্জে কোরআন অবমাননার অভিযোগে মিলনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে ভোলায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত র‍্যালি, মহড়া ও আলোচনা সভায় সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান ফিল্মি কায়দায় নারীকে অপহরণের চেষ্টা, জড়িত যুবকের পরিচয় সনাক্ত শ্রীমঙ্গলে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট,যুবসেনা ও ছাত্রসেনার বদর দিবস পালিত ওয়াহিদ সিদ্দেক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের ইফতার মাহফিল জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস কমিউনিটি এডুকেশন ওয়াচ গ্রুপের সদস্যদের কারিগরি ও কৌশলগত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

ভোলায় কলাগাছ থেকে পুষ্টি সমৃদ্ধ গো-খাদ্য

মোঃ সামিরুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৩৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ইফাদ এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) আর্থিক সহযোগিতায় ও গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা (জিজেইউএস) কর্তৃক বাস্তবায়িত রুরাল মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রকল্পের (আরএমটিপি) আওতায় ভোলা জেলার সদর উপজেলার দুই খামারি, মোঃ নুরুল ইসলাম ও মোঃ কামাল হোসেনকে কলাগাছ থেকে পুষ্টিগুণ সম্পন্ন গো-খাদ্য তৈরির জন্য আংশিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এই উদ্যোগটি গো-খাদ্যের ক্রমবর্ধমান বাজারমূল্য এবং শীতকালে খাবারের স্বল্পতা দূর করার বিকল্প সমাধান হিসেবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

বর্তমানে গবাদি পশুর খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় অনেক খামারি গবাদি পশু পালনে আগ্রহ হারাচ্ছেন। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জিজেইউএস নতুন প্রযুক্তির সাহায্যে কলাগাছকে গো-খাদ্য হিসেবে রূপান্তর করছে, যা খামারিদের জন্য লাভজনক ও কার্যকর সমাধান হিসেবে কাজ করছে। এই খাদ্য তৈরিতে মূলত কলাগাছ, চিটাগুড়, ভূষি ও লবণ ব্যবহার করা হয়।

কলাগাছের কান্ডে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি, আঁশ এবং খনিজ উপাদান, বিশেষ করে পটাশিয়াম, যা গবাদি পশুর স্বাস্থ্য রক্ষায় অত্যন্ত সহায়ক। এ ধরনের পুষ্টি সমৃদ্ধ খাদ্য গবাদি পশুর হজমশক্তি উন্নত করে এবং দুধ ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি প্রাকৃতিক খাদ্য হওয়ায় গবাদি পশুর জন্য নিরাপদ এবং কৃত্রিম খাদ্যের মতো কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

খামারিরা এই নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে গো-খাদ্যের উৎপাদন খরচ কমিয়ে তাদের গবাদি পশু পালনের কার্যক্রমকে আরও লাভজনক করতে সক্ষম হচ্ছেন। বিশেষ করে শীতকালে, যখন প্রাকৃতিক খাবারের সংকট দেখা দেয়, তখন এই পুষ্টিকর গো-খাদ্য একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে ব্যবহারযোগ্য হয়ে উঠেছে।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে গবাদি পশু পালনকারীরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন এবং দেশের নিরাপদ মাংস ও দুগ্ধ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। জিজেইউএস-এর এ ধরনের পদক্ষেপ স্থানীয় খামারিদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে এবং কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট