1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
নিখোঁজের ১দিন পর রিপনের লাশ নদীর পাড় থেকে উদ্ধার কমলগঞ্জে কোরআন অবমাননার অভিযোগে মিলনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে ভোলায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত র‍্যালি, মহড়া ও আলোচনা সভায় সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান ফিল্মি কায়দায় নারীকে অপহরণের চেষ্টা, জড়িত যুবকের পরিচয় সনাক্ত শ্রীমঙ্গলে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট,যুবসেনা ও ছাত্রসেনার বদর দিবস পালিত ওয়াহিদ সিদ্দেক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র পরিষদের ইফতার মাহফিল জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস কমিউনিটি এডুকেশন ওয়াচ গ্রুপের সদস্যদের কারিগরি ও কৌশলগত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ভোলার চরফ্যাশনে ফ্যামিলি কার্ড পেলো ২৮৮টি পরিবার ভোলায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

রংপুর বিভাগ কুড়িগ্রামে ঘর-বাড়ি, পশু পাখি ফসলি জমি রক্ষায় সেচ্ছাশ্রমে ভাঙন রোধের চেষ্টা সাধারণ গ্রামবাসীর।

মোঃ রাওফুল বরাত বাঁধন ঢালী, লালমনিরহাট
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

সর্বনাশা দুধকুমার নদের ভাঙন রোধে নেই কোনও সরকারি উদ্যোগ, সরকারী কোনও উদ্যোগ না থাকায় নিজ উদ্যোগেই প্রতিরোধের চেষ্টা করছেন গ্রামবাসী। তাদের অভিযোগ শতো বার সরকারি দপ্তরে যোগাযোগ করেও কোন সারা পাননি তারা। এ অবস্থায় নিজেদের চাঁদার টাকায় প্লাস্টিকের বস্তুা কিনে বালু ভরিয়ে সেচ্ছাশ্রমে ভাঙন রোধের চেষ্টা কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমারের শাখা কালজানি নদী পাড়ের বাসিন্দাদের।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কেউ প্লাস্টিকের বস্তুায় ভরছেন বালু, কেউ ফেলছেন নদীর পাড়ে। এভাবে ঘর বাড়ি ও ফসলি জমি রক্ষার চেষ্টা ভাঙন কবলিতদের। গত ৪ মাস ধরে দুধকুমার নদের অব্যাহত ভাঙন চলছে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সীমান্তবর্তী শিলখুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ ধলডাঙ্গা গ্রামে। এরই মধ্যে বিলীন হয়েছে তিন শতাধিক ঘর বাড়িসহ একরের পর একর ফসলি জমি। এ অবস্থায় ভাঙনে কবলিতরা জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডে বার বার যোগাযোগ করেও কোন প্রতিকার পাননি তারা। পরে কোন উপায়ন্ত না পেয়ে নিজেদের অর্থ দিয়ে সেচ্ছাশ্রমে ভাঙন রোধ করে সম্পদ রক্ষায় চেষ্টা তাদের।

স্থানীয়দের দাবি তাদের এ চেষ্টার পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সামান্য সহযোগিতা পেলে বন্ধ হবে ভাঙন। আর এতেই রক্ষা পাবে ফসিল জমিসহ ঘর বাড়ি।

উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ ধলডাঙ্গা এলাকার মনছেদ আলী বলেন, আমাদের এরাকার ভাঙন রোধে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে আমরা কাজ করছি। গ্রামবাসীর কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্লাস্টিকের বস্তুা কিনে বালু ভরে নদীতে ফেলছি। তার পরেও ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না।

ভুরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান একেএম ফরিদুল হক বলেন, এই এলাকার দুধকুমার নদ গত ২-৩ মাস ধরে অব্যাহত ভাঙছে। প্রায় ৩শ উপর বাড়ি ঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। কয়েকশো হেক্টর ফসলি জমি ফসলসহ নদে চলে গেছে। ভাঙন রোধ করা না হলে তিনটা ক্যাম্প আছে এখানে বিদ্যুৎ আছে সবকিছু ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এখানকার খেটে খাওয়া সীমান্তবাসীর জন্য সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল হাসান শিলখুড়ি এলাকায় দুধকুমারের ভাঙনসহ অন্যান্য নদ নদীতেও ভাঙনের কথা স্বীকার করে জানান, বরাদ্দ কিংবা অনুমতি না থাকায় ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিতে পারছে না তারা। সার্বিকভাবে কৃষি জমি ও সামান্য বাড়ি ঘরের জন্য কাজ করার অনুমতি পাচ্ছেন না। সরকারি কোন স্থাপনা হলে কিছুটা কাজের অনুমতি পাবেন বলে জানান তিনি।

জেলায় গত চার মাসে দুধকুমারসহ ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তার ভাঙনে বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়েছে সহস্রাধিক পরিবার। ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নিবে সরকার এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের। আল্লাহ তাদের সহাইহন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট