1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
১০০ হাঁস দিয়ে শুরু, এখন মাসে ৩৫ হাজার টাকা মুনাফা পারুলের! মায়ের স্বপ্ন, বাবার আদর্শের পথে পার্থর নতুন অধ্যায় মনপুরায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ভোলার ৫০ লাখ অনুসারীর কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রিন্স আইউব আয় করেন লাখ টাকা ভোলায় জিজেইউএসের কার্যক্রম পরিদর্শনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জুলাই আন্দোলনে সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ভোলার পাঙ্গাশিয়ায় প্রায় এক একর জমির ফলদ ও বনজ বৃক্ষ কেটে নিয়েছে দূর্বৃত্তরা বর্ষা এলেই হাঁটুপানি, আট বছর ধরে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ ৬৬ বছর নখ না কেটে বিশ্বরেকর্ড, শ্রীধরের পাঁচ নখের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০ ফুট ভোলায় জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, পুরস্কার পেল তিন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

সিরাজগঞ্জে জনপ্রিয় হচ্ছে ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ

মো: সামিরুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধ
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২২৪ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির যুগে আবারও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ। সাধারণত গরু-মহিষ দিয়ে হাল চাষের প্রচলন এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে, তবে ঘোড়া দিয়ে হাল চাষের এই নতুন প্রবণতা কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলছে।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) তাড়াশ উপজেলার বিনসাড়া গ্রামের পশ্চিমের বিস্তীর্ণ মাঠে দেখা যায়, অন্তত ছয়টি ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ চলছে। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, ট্রাক্টর বা পাওয়ার টিলার প্রয়োজনের সময় সহজে পাওয়া যায় না, আর পাওয়া গেলেও ঘোড়ার মইয়ে জমির মাটি সঠিকভাবে সমান করা যায়, যা ধানের ফলন বৃদ্ধিতে সহায়ক।

তালম ইউনিয়নের জন্তিপুর গ্রামের ঘোড়ার গাড়িওয়ালা আয়জদ্দি ফকির প্রথম এই ঘোড়ার জোয়াল-মইয়ের প্রচলন শুরু করেন। তিনি জানান, ঘোড়া দিয়ে জমির কাঁদা মাটি সঠিকভাবে সমান করা সম্ভব, যা অন্য কোনো যন্ত্র দিয়ে সম্ভব নয়। ঘোড়া একই জায়গায় বারবার ঘুরতে পারে, ফলে জমির মাটি সমান হয়, যা ট্রাক্টর বা মহিষ দিয়ে করা সম্ভব হয় না। তার এই উদ্যোগ দেখে তাড়াশ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী সিংড়া ও গুরুদাসপুর উপজেলাতেও ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ শুরু হয়েছে।

আয়জদ্দি ফকিরের নাতি আশরাফুল ইসলাম জানান, গত বছর বোরো মৌসুমে প্রথমবার তারা এই পদ্ধতি প্রয়োগ করেন এবং এর সফলতা দেখে এখন অনেকেই এই পেশা গ্রহণ করছেন। আশরাফুল বলেন, “প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ বিঘা জমিতে মই দিতে পারি, এবং এক বিঘা জমিতে মই দিয়ে ২০০ টাকা আয় হয়, যা আমাদের পরিবারের আর্থিক অনটন দূর করতে সহায়তা করছে।”

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘোড়ার জোয়াল-মই কৃষকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। তিনি বলেন, “জমির কাঁদা মাটি সমান করতে ঘোড়ার মইয়ের বিকল্প নেই। মাটি সমান হলে ধানও ভালো হবে, যা কৃষকদের জন্য লাভজনক।”

কৃষকদের এ উদ্যোগ আধুনিক যন্ত্রপাতির বিকল্প হয়ে উঠতে পারে, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও কৃষি ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট