1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বাউফলে গেটকা প্রকল্পের সভা: জলবায়ু মোকাবিলায় নারীর নেতৃত্ব জোরদারের আহ্বান আমতলী হত্যা মামলার চার অভিযুক্ত র‍্যাবের অভিযানে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার সৈয়দ আবদাল আহমদ নিযুক্ত হলেন তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা রাঙ্গামাটিতে ৩৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী ঐতিহাসিক সাফল্য: প্রথমবারের মতো এশিয়ান গেমসের হকিতে বাংলাদেশের নারী দল বাউফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্র পরিবর্তনে শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি কুয়াকাটায় সরকারি কেওড়া বাগান থেকে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে বন কর্মকর্তাদের ওপর হামলা ও লুটপাট বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে ১০টি হুইলচেয়ার অনুদান মৃত্যুর কাছে হার মানলো অর্ধশত বয়সী বন্য হাতি দীর্ঘ চিকিৎসার পরও বাঁচানো গেল না বন্য হাতি লংগদুতে ইয়াবা সেবনের সময় ছাত্রদল নেতা ও ফার্মাসিস্ট আটক

ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় রেমাল তান্ডবলীলায় তছনছ দক্ষিণঞ্চাল

শফিক রাসেল
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪
  • ২২৪ বার পড়া হয়েছে

প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় রেমালের তান্ডব দেখলো দক্ষিণ অঞ্চলের প্রতিটি মানুষ।
যা ২০০৭ সালের সিডর থেকে ও শক্তিশালি মনে করছে বরিশাল বিভাগের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।
যা একটানা পানিতে তলিয়ে ছিল পুরো তিন জেলার অধিকাংশ ভুক্তভোগী পরিবারের বসতবাড়ি।

আনুমানিক ৩৬ থেকে ৪৮ ঘন্টা ধরে পানির স্তর একই অবস্থায় ছিল একারনে রেমালের ক্ষয় ক্ষতির পরিমান বেড়েছে।

ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও বরগুনা জেলায় এমন কোনো পরিবার নেই , যে কিনা ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর তান্ডবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়নি।

এর কারন হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল পূর্বে বিষখালি নদী পশ্চিমে বলেশ্বর নদীর পানি।
রেমালের বাতাসের তীব্রতা যত বাড়তে ছিল ততটাই ফুলে ফেঁপে উঠেছিল এই দুই নদীর পানি। প্রতিফলন স্বরূপ ক্ষতিগ্রস্ত দক্ষিণাঞ্চলে মানুষ।

ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলার অধিকাংশ গ্রামে কলা সহ অনেক ফল- ফলাদি এবং ফসলের আবাদ করেছেন ।

কিন্তু মহা প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় রেমালের পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে ক্ষেত খামার।এখন দেখলে বোঝার উপায় নেই যে সেখানে চাষের কোনো ফসল ছিল।
তেমনি মাছের ঘের গুলোর ও একই অবস্থা।

তবে রেমাল তান্ডব চলাকালীন সময়ে যতটা অসহায় ছিল, তার থেকে বেশি অসহায় এই জনপদে মানুষ বিশেষ করে নদী সংলগ্ন যে সব এলাকা গুলো রয়েছে।
বিশুদ্ধ খাবার পানি , শুকনো খাবার অধিকাংশ পরিবারের নেই রান্না ঘরের অস্তিত্ব , চুলো তো দূরের কথা।

দীর্ঘ ১৪ ঘন্টা পার হলে আসেনি কোনো সরকারি বা বেসরকারি সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের খাদ্য সহায়তা।
যা নদীর তীর সংলগ্ন এলাকা বাসিন্দাদের জন্য অতিজরুরি।
বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে বহু ক্ষয় ক্ষতি হছে। রাস্তার দুপাশে গাছগুলো এমন ভাবে পড়ে আছে দেখলে মনে হবে যেন কেউ তুলে রাস্তা উপর ফেলে রেখেছে। সওজ এর আওতাধীন রাস্তাগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বিশেষ করে ঝালকাঠি থেকে পাথরঘাটা পর্যন্ত মহা সড়কটি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুর্যোগ পরবর্তীকালীন ব্যবস্থা গ্রহণে সবগুলো এলাকাতেই কাজ করছে রেড ক্রিসেন্ট, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, ফায়ার সার্ভিস , বিদ্যুৎ অফিসের সেবা প্রদানকারী কর্মীগন এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।
ইতিমধ্যে সকল উপজেলা প্রশাসনের করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট