1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বরিশালে মাস্টার ক্রাফটস পার্সনদের নিয়ে মতবিনিময় ভোলার প্রথম সাংবাদিক আবু তাহেরকে সংবর্ধনা দিল মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন ১০০ হাঁস দিয়ে শুরু, এখন মাসে ৩৫ হাজার টাকা মুনাফা পারুলের! মায়ের স্বপ্ন, বাবার আদর্শের পথে পার্থর নতুন অধ্যায় মনপুরায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ভোলার ৫০ লাখ অনুসারীর কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রিন্স আইউব আয় করেন লাখ টাকা ভোলায় জিজেইউএসের কার্যক্রম পরিদর্শনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দল গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জুলাই আন্দোলনে সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ভোলার পাঙ্গাশিয়ায় প্রায় এক একর জমির ফলদ ও বনজ বৃক্ষ কেটে নিয়েছে দূর্বৃত্তরা বর্ষা এলেই হাঁটুপানি, আট বছর ধরে জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ

বিজু উৎসবে পার্বত্য জেলায় ফুল ভাসিয়ে নতুন বছরকে বরণ

ঢাকা বুলেটিন অনলাইন ডেক্স
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২১৭ বার পড়া হয়েছে

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ঐতিহ্যবাহী বিজু উৎসব ঘিরে আনন্দ-উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। চাকমা সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান এই সামাজিক উৎসব উপলক্ষে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলা ও গ্রামে নদী, ছড়া ও হ্রদের জলে ফুল ভাসিয়ে পুরোনো বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) ভোর থেকে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ নানা বয়সী মানুষ ফুল নিয়ে নদী ও জলাশয়ের তীরে জড়ো হন। রক্তজবা, গাঁদা, রঙ্গণসহ নানা রঙের ফুল কলাপাতায় সাজিয়ে জলে ভাসানো হয়। ঐতিহ্যবাহী পোশাকে অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

রাঙামাটির লংগদু, বরকল, জুরাছড়ি, কাপ্তাই; খাগড়াছড়ির দীঘিনালা, পানছড়ি, মহালছড়ি এবং বান্দরবানের রাজবিলা, নাইক্ষ্যংছড়ি ও রুমা উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় সংগঠন ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। কোথাও কোথাও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনের নেতারাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

চাকমা সম্প্রদায়ের এই বিজু উৎসব মূলত বাংলা বছরের শেষ দিনগুলোতে উদযাপিত হয়। এর অন্যতম প্রধান আচার ‘ফুল বিজু’, যেখানে নদী বা হ্রদের জলে ফুল ভাসিয়ে পুরোনো বছরের দুঃখ-বেদনা, গ্লানি ও অশুভ শক্তিকে বিদায় জানানো হয়। একই সঙ্গে নতুন বছরকে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় বরণ করা হয়।

আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীরা জানান, বিজু শুধু একটি উৎসব নয়; এটি পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির প্রতীক। এ উৎসবের মাধ্যমে সব ভেদাভেদ ভুলে সবাই একত্রিত হয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়।

উৎসবের অংশ হিসেবে আগামী কয়েকদিন ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লোকজ খেলাধুলা, পিঠা উৎসব এবং নানা সামাজিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট