1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
জ্বালানি সংকটে অচল দশমিনা: কর্মহীন দেড় হাজার বাইকার, ব্যাহত কৃষি ও নৌযান চলাচল মির্জাগঞ্জে নবাগত ইউএনও শেখ মো. রাসেলের সঙ্গে সুধীজনের মতবিনিময় সভা দুমকিতে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত বরিশালে মাসে তিন লাখ টাকা ভাড়া, অচল যন্ত্রে আটকে ১৫০ কোটি পটুয়াখালীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত, বিজ্ঞানভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবায় জোর পটুয়াখালীতে বেহুন্দী জালসহ ফিশিং ট্রলার জব্দ বোরহানউদ্দিনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত জিজেইউএসের আয়োজনে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ভোলায় জামায়াতের নারী কর্মীর জামিন ভোলায় জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের উদ্বোধন

বরিশালে মাসে তিন লাখ টাকা ভাড়া, অচল যন্ত্রে আটকে ১৫০ কোটি

বরিশাল প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রকল্প বাতিল হলেও বিপুল ব্যয়ে কেনা যন্ত্রগুলো এখনো গুদামেই পড়ে আছে। বরিশাল বিভাগে অচলপ্রায় এসব ইভিএম সংরক্ষণ করতে প্রতি মাসে প্রায় তিন লাখ টাকা গুদাম ভাড়া গুনতে হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় সরকারি অর্থের অপচয় অব্যাহত রয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বিভাগের বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার গুদামে বর্তমানে চার হাজারের বেশি ইভিএম সংরক্ষিত রয়েছে, যার মোট ক্রয়মূল্য প্রায় ১৫০ থেকে ১৫৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যন্ত্র ইতোমধ্যে অকেজো হয়ে পড়েছে।

স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ চালুর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০১৯ সালের মে মাসে বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে প্রথম ধাপে ২ হাজার ২৬৮টি ইভিএম সরবরাহ করা হয়। পরে পর্যায়ক্রমে পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠি জেলায় আরও ২ হাজার ৮১৯টি মেশিন পাঠানো হয়।

কয়েকটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সীমিত পরিসরে এসব যন্ত্র ব্যবহার করা হলেও পরবর্তীতে নানা প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দেয়। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং ব্যবহার বন্ধ থাকার কারণে অনেক মেশিন অচল হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালে ইভিএম প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।

বরিশালের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, বরিশাল ও পটুয়াখালীর গুদামে ইভিএম সংরক্ষণে প্রতি মাসে প্রায় ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে। গত সাড়ে তিন বছরে শুধু গুদাম ভাড়াই পরিশোধ করা হয়েছে ২ কোটি ৪২ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। তিনি বলেন, নির্দেশনা অনুযায়ী যন্ত্রগুলো গুদামে রাখা হয়েছে এবং পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সেগুলো একই অবস্থায় থাকবে। দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়া ইলেকট্রনিক যন্ত্র সংরক্ষণ করলে ত্রুটি দেখা দেওয়া স্বাভাবিক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল জেলা শাখার সম্পাদক রনজিত দত্ত বলেন, বড় অঙ্কের সরকারি অর্থ ব্যয়ের আগে প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা আরও যাচাই করা প্রয়োজন ছিল। বর্তমানে অকার্যকর যন্ত্র গুদামে রেখে নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করা রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রকল্প বাতিলের পর ইভিএমগুলোর ভবিষ্যৎ ব্যবহার, পুনর্ব্যবহার, নিলাম বা প্রযুক্তিগত পুনর্মূল্যায়ন বিষয়ে দ্রুত নীতিগত সিদ্ধান্ত না হলে সরকারি অর্থের অপচয় আরও বাড়বে। বর্তমানে যন্ত্রগুলো গুদামেই পড়ে থাকায় ব্যয় বাড়লেও কার্যকর কোনো ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট