থাইল্যান্ডের সংবিধান আদালত আজ প্রধানমন্ত্রী প্রয়োতনতর্ণ শিনাওয়াত্রার ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে। একটি ফাঁস হওয়া ফোন কলের সঙ্গে তার যোগাযোগের অভিযোগে আদালতের এই রায় তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করতে পারে, যা দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে।
আজকের রায় প্রয়োতনতর্ণ শিনাওয়াত্রার জন্য একটি নির্ণায়ক মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, তিনি একটি আদালত মামলার সাক্ষীদের বিরুদ্ধে প্রভাব ফেলার চেষ্টা করেছেন একটি ফোন কলের মাধ্যমে, যা আইনি প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এ ধরনের আচরণ যদি প্রমাণিত হয়, তবে সংবিধান অনুযায়ী তাকে পদ থেকে অপসারণ করা হতে পারে।
প্রয়োতনতর্ণ শিনাওয়াত্রা থাইল্যান্ডের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য। তার চাচা থাকসিন শিনাওয়াত্রা পূর্বে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং পরবর্তীতে অপসারিত হন। এই রায় কেবল তার ব্যক্তিগত ভবিষ্যৎই নয়, বরং তার দল পূদফাংলাওয়ের রাজনৈতিক ভবিষ্যতও নির্ধারণ করবে। বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ হলে দেশে নতুন করে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব শুরু হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে সরকারি কার্যক্রম ব্যাহত করবে।
থাইল্যান্ডে গত কয়েক দশক ধরে সামরিক ও বেসামরিক শক্তির মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব চলে আসছে। এ ধরনের আদালত রায় প্রায়শই রাজনৈতিক পরিবর্তনের ট্রিগার হয়ে উঠেছে। স্থানীয় মিডিয়া ও জনগণ আজকের রায়ের প্রতি গভীর নজর রাখছে।