1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
শ্রীমঙ্গলে বিপুল পবিমান চোরাই ভারতীয় প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ মৌলভীবাজার-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে বাঁধায় অবরুদ্ধ মৌলভীবাজারে ৫৫৪টি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তায় “বডি অন”ক্যামেরার ব্যবহার ভোলায় তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বাড়াতে মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা ভোলায় পোস্টাল ব্যালটে ভোটার ১৪ হাজার ছাড়াল, চার আসনেই প্রস্তুতি সম্পন্ন জলঢাকায় দৈনিক জনবানী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ভোলা কালেক্টরেট স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ‘১ বক্স নীতি’ বাস্তবায়ন ব্যর্থতার দায় জামায়াতের অতিরিক্ত রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকির মাঝেও ভোলায় আশার নতুন ঠিকানা ১ বক্স নীতি ভেস্তে যাওয়ার পেছনে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অভিযোগ; ভোলা-৪ আসনের ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

অস্ট্রেলিয়া-চীন সম্পর্ক: বাণিজ্য প্রবাহ ও নিরাপত্তা উত্তেজনার মাঝেও সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৮৩ বার পড়া হয়েছে

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ ছয় দিনের সরকারি সফরে চীনের তিনটি শহর পরিদর্শনে আজ সাংহাই পৌঁছেছেন। এই সফরকে দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক উত্তেজনা নিরসনের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু গুরুত্ব পাবে।

অতীতের কয়েক বছরে অস্ট্রেলিয়া-চীন সম্পর্ক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে গেছে। কোভিড-১৯ এর উৎপত্তি বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান, হংকং ও তাইওয়ান নিয়ে চীনের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান, এবং চীনা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর অস্ট্রেলিয়ার নিষেধাজ্ঞার মতো বিষয়ে পারস্পরিক টানাপোড়েন তৈরি হয়। এই প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কূটনৈতিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচনের চেষ্টা চলছে।

প্রধানমন্ত্রী অ্যালবানিজের সফরে বাণিজ্যিক পুনঃসম্পর্ক স্থাপন, কৃষিপণ্য রপ্তানি ও খনিজসম্পদ নিয়ে আলোচনা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার একাধিক রপ্তানি পণ্যের ওপর চীন পূর্বে শুল্ক আরোপ করেছিল, যার ফলে দুই দেশের মধ্যে কয়েক বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হয়। বর্তমানে এসব শুল্ক কমানো ও সরানো নিয়ে আলোচনা চলছে।

তবে শুধু অর্থনীতি নয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু—বিশেষত দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সামরিক তৎপরতা, তাইওয়ান প্রণালীর উত্তেজনা এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জে চীনা প্রভাব বৃদ্ধিও আলোচনায় স্থান পাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া মার্কিন নেতৃত্বাধীন কৌশলগত জোট AUKUS-এর সদস্য, যা চীনের দৃষ্টিতে হুমকি স্বরূপ বিবেচিত।

চীন ইতোমধ্যে সফরকে “সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা” হিসেবে উল্লেখ করেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একাধিক ভিন্নমত এবং বিশ্বাসের জায়গা থাকায় সম্পর্ক উন্নয়নের পথে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।


এই সফর শুধু কূটনৈতিক সৌজন্য নয়, বরং একটি কৌশলগত বার্তা—অস্ট্রেলিয়া ও চীন দুপক্ষই বুঝতে পারছে, বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা ভারসাম্য বজায় রেখেই টেকসই কূটনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট