1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
জলঢাকায় ৩২টি চোরাই মোটরসাইকেল সহ ৩ জন কুখ্যাত চোর আটক পটুয়াখালীর দুর্গম চরাঞ্চলে ৮০৮ হতদরিদ্র নারী পেলেন ফ্যামিলি কার্ড বাউফলে হানি ট্র্যাপ মামলার প্রধান আসামির জামিনের প্রতিবাদে কাফনের কাপড় পরে মানববন্ধন পটুয়াখালীতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা, কেন্দ্রীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল ৭টায় পবিপ্রবিতে ভিসির পদত্যাগ দাবিতে টানা সপ্তম দিনের কর্মবিরতি, স্থবির শিক্ষা কার্যক্রম কলাপাড়ায় সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ নারায়নগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে বাউফলের একই পরিবারের পাঁচজন নিহত পটুয়াখালীতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্যে শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের বার্ষিক জন্মোৎসব পালিত কুয়াকাটা সৈকতে জীবিত অলিভ রিডলি মা কচ্ছপ উদ্ধার, চিকিৎসা চলছে কলাপাড়ায় মধ্যরাতে জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত ২৬ বস্তা চাল উদ্ধার

সিরাজগঞ্জে জনপ্রিয় হচ্ছে ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ

মো: সামিরুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধ
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির যুগে আবারও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ। সাধারণত গরু-মহিষ দিয়ে হাল চাষের প্রচলন এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে, তবে ঘোড়া দিয়ে হাল চাষের এই নতুন প্রবণতা কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলছে।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) তাড়াশ উপজেলার বিনসাড়া গ্রামের পশ্চিমের বিস্তীর্ণ মাঠে দেখা যায়, অন্তত ছয়টি ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ চলছে। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, ট্রাক্টর বা পাওয়ার টিলার প্রয়োজনের সময় সহজে পাওয়া যায় না, আর পাওয়া গেলেও ঘোড়ার মইয়ে জমির মাটি সঠিকভাবে সমান করা যায়, যা ধানের ফলন বৃদ্ধিতে সহায়ক।

তালম ইউনিয়নের জন্তিপুর গ্রামের ঘোড়ার গাড়িওয়ালা আয়জদ্দি ফকির প্রথম এই ঘোড়ার জোয়াল-মইয়ের প্রচলন শুরু করেন। তিনি জানান, ঘোড়া দিয়ে জমির কাঁদা মাটি সঠিকভাবে সমান করা সম্ভব, যা অন্য কোনো যন্ত্র দিয়ে সম্ভব নয়। ঘোড়া একই জায়গায় বারবার ঘুরতে পারে, ফলে জমির মাটি সমান হয়, যা ট্রাক্টর বা মহিষ দিয়ে করা সম্ভব হয় না। তার এই উদ্যোগ দেখে তাড়াশ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী সিংড়া ও গুরুদাসপুর উপজেলাতেও ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ শুরু হয়েছে।

আয়জদ্দি ফকিরের নাতি আশরাফুল ইসলাম জানান, গত বছর বোরো মৌসুমে প্রথমবার তারা এই পদ্ধতি প্রয়োগ করেন এবং এর সফলতা দেখে এখন অনেকেই এই পেশা গ্রহণ করছেন। আশরাফুল বলেন, “প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ বিঘা জমিতে মই দিতে পারি, এবং এক বিঘা জমিতে মই দিয়ে ২০০ টাকা আয় হয়, যা আমাদের পরিবারের আর্থিক অনটন দূর করতে সহায়তা করছে।”

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘোড়ার জোয়াল-মই কৃষকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। তিনি বলেন, “জমির কাঁদা মাটি সমান করতে ঘোড়ার মইয়ের বিকল্প নেই। মাটি সমান হলে ধানও ভালো হবে, যা কৃষকদের জন্য লাভজনক।”

কৃষকদের এ উদ্যোগ আধুনিক যন্ত্রপাতির বিকল্প হয়ে উঠতে পারে, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও কৃষি ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট