1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক দক্ষিণ কোরিয়া এআই নিয়ন্ত্রণে যুগান্তকারী আইন চালু করেছে, স্টার্টআপগুলি সম্মতি বোঝা নিয়ে উদ্বিগ্ন ফিলিপাইনস মিয়ানমারের রাজনৈতিক ও জাতিগত গোষ্ঠীগুলিকে ‘স্টেকহোল্ডার মিটিং’-এ স্বাগত জানিয়েছে চীনের গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলি ছাড় দেওয়া সত্ত্বেও ছিনতাইকৃত সম্পত্তি বিক্রি করতে ব্যর্থ পটুয়াখালীতে উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দ কুয়াকাটায় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় মানববন্ধন ও সৈকত পরিস্কার অভিযান মির্জাগঞ্জে ১০ দলীয় জোট প্রার্থীর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বোরহানউদ্দিনে ব্যবসায়ীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টার অভিযোগে গণভোটের কোনো আইনগত ভিত্তি নেই, চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে জনগণের ওপর: হাফিজ উদ্দিন আহমেদ

সিরাজগঞ্জে জনপ্রিয় হচ্ছে ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ

মো: সামিরুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধ
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৬০ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির যুগে আবারও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ। সাধারণত গরু-মহিষ দিয়ে হাল চাষের প্রচলন এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে, তবে ঘোড়া দিয়ে হাল চাষের এই নতুন প্রবণতা কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলছে।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) তাড়াশ উপজেলার বিনসাড়া গ্রামের পশ্চিমের বিস্তীর্ণ মাঠে দেখা যায়, অন্তত ছয়টি ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ চলছে। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, ট্রাক্টর বা পাওয়ার টিলার প্রয়োজনের সময় সহজে পাওয়া যায় না, আর পাওয়া গেলেও ঘোড়ার মইয়ে জমির মাটি সঠিকভাবে সমান করা যায়, যা ধানের ফলন বৃদ্ধিতে সহায়ক।

তালম ইউনিয়নের জন্তিপুর গ্রামের ঘোড়ার গাড়িওয়ালা আয়জদ্দি ফকির প্রথম এই ঘোড়ার জোয়াল-মইয়ের প্রচলন শুরু করেন। তিনি জানান, ঘোড়া দিয়ে জমির কাঁদা মাটি সঠিকভাবে সমান করা সম্ভব, যা অন্য কোনো যন্ত্র দিয়ে সম্ভব নয়। ঘোড়া একই জায়গায় বারবার ঘুরতে পারে, ফলে জমির মাটি সমান হয়, যা ট্রাক্টর বা মহিষ দিয়ে করা সম্ভব হয় না। তার এই উদ্যোগ দেখে তাড়াশ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী সিংড়া ও গুরুদাসপুর উপজেলাতেও ঘোড়া দিয়ে হাল চাষ শুরু হয়েছে।

আয়জদ্দি ফকিরের নাতি আশরাফুল ইসলাম জানান, গত বছর বোরো মৌসুমে প্রথমবার তারা এই পদ্ধতি প্রয়োগ করেন এবং এর সফলতা দেখে এখন অনেকেই এই পেশা গ্রহণ করছেন। আশরাফুল বলেন, “প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ বিঘা জমিতে মই দিতে পারি, এবং এক বিঘা জমিতে মই দিয়ে ২০০ টাকা আয় হয়, যা আমাদের পরিবারের আর্থিক অনটন দূর করতে সহায়তা করছে।”

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘোড়ার জোয়াল-মই কৃষকদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। তিনি বলেন, “জমির কাঁদা মাটি সমান করতে ঘোড়ার মইয়ের বিকল্প নেই। মাটি সমান হলে ধানও ভালো হবে, যা কৃষকদের জন্য লাভজনক।”

কৃষকদের এ উদ্যোগ আধুনিক যন্ত্রপাতির বিকল্প হয়ে উঠতে পারে, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও কৃষি ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট