1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মনপুরায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলের খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, তিন জেলে আটক, জেল হাজতে প্রেরণ ভোলা ভেদুরিয়া সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (ভিএসডিএফ)-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন মেঘনায় হারিয়ে গেছে ভবানীপুর, দাদার গল্পেই বেঁচে ছিলো সেই বাড়ি ঢাকায় কাচিয়া ইউনিয়নবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইউসুফ পাকিস্তান সফরে জিজেইউএসের ১৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল, নেতৃত্বে জাকির হোসেন মহিন ভোলায় অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করল সেবা তরঙ্গ সংগঠন রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পবিপ্রবির শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু সাইবার প্রতারণা ও আইডি হ্যাকিংয়ের অভিযোগে নাগরিকদের জন্য সিআইআরএস প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন দশমিনায় গণঅধিকার পরিষদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১০ জন আহত রাঙ্গাবালীতে এইচএসসি উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিতর্ক: পরীক্ষকের বদলে শিক্ষার্থীদের হাতে খাতা, ভিডিও ভাইরাল

জামায়াত আমিরের প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানও

মো: সামিরুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধ
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে, দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করছেন মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ, যেখানে ধর্ম-বর্ণের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্যের ছাপ নেই। এটির ব্যবস্থাপনা, কর্মপরিবেশ, এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া অত্যন্ত স্বচ্ছ, যা স্থানীয় এবং জাতীয় পর্যায়ে প্রশংসিত হয়েছে।

ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত এই মেডিকেল কলেজে বর্তমানে ১,৪৫০ জন কর্মী কাজ করছেন, যার মধ্যে ২৭০ জন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকলেই ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সমান অধিকার ভোগ করছেন। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন স্তরের কর্মী, যেমন চিকিৎসক, নার্স, আয়া, এবং নিরাপত্তাকর্মীরা সমান সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন।

হেলেন রানী দাস, যিনি গত ১৫ বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠানে আয়া হিসেবে কাজ করছেন, জানান, “এখানে কোনো ধরনের বৈষম্য নেই। আমি গর্বিত যে আমি এমন একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছি, যেখানে সবাইকে সমানভাবে দেখা হয়।” সিকিউরিটি চিফ প্রজেশ দাসও বলেন, “এই হাসপাতালে আমরা সবাই সমান, এবং ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য নেই।”

অন্যদিকে, ডা. শফিকুর রহমান নিজেও বলেছেন, “আমার প্রতিষ্ঠানে সব ধর্মের মানুষকে সমানভাবে মূল্যায়ন করা হয়। আমরা এখানে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে থাকি, এবং কোনো ধরনের বৈষম্য বরদাশত করা হয় না।”

সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের এই অনন্য বৈশিষ্ট্য প্রমাণ করে যে, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে একটি প্রতিষ্ঠান সফলভাবে পরিচালিত হতে পারে। এ প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অনুকরণীয় হতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট