1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদ মাহফিল ও কম্বল বিতরণ ট্রাম্পের অভিবাসন অভিযান তীব্রতর হওয়ায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে, ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে একাধিক হতাহত ইইউ ভিয়েতনামের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নীত করতে যাচ্ছে, বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার মধ্যে কোস্তা হ্যানয় সফর করবেন পোল্যান্ড ইউরো জোনে যোগদানে তাড়াহুড়ো করছে না, অর্থনীতির উত্থানের পর জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী পটুয়াখালীতে বস্তাবন্দী বৃদ্ধ মহিলার লাশ উদ্ধার; পুলিশের সন্দেহ পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড “জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে” – আলতাফ হোসেন চৌধুরী পটুয়াখালীতে নতুন যুগ্ম দায়রা আদালত স্থাপন: বিচার প্রক্রিয়ায় গতি আনবে সরকার অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে সৃষ্ট গর্তে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু চর কুকরি-মুকরিতে স্থানীয় জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা প্রনয়ণ বিষয়ক কর্মশালা শুরু কাউয়াদীঘি হাওর পাড়ের কৃষকদের চিন্তার ভাঁজ

এক সপ্তাহেই হারালেন স্ত্রী-সন্তান, শেষে নিজেও চলে গেলেন… আগুনে ভস্মীভূত হলো পটুয়াখালীর রিপনের স্বপ্নের সংসার

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

জীবিকার তাগিদে স্বপ্ন নিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন রিপন প্যাদা। স্ত্রী-সন্তান নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন ছোট্ট একটি সংসার। কিন্তু এক ভয়াবহ আগুনে এক সপ্তাহেই হারালেন পরিবার—প্রথমে মেয়ে, তারপর দুই ছেলে, স্ত্রী এবং সবশেষে নিজেও চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার যুগিরহাওলা গ্রামের বাসিন্দা রিপন প্যাদা (৩৫) বছর সাতেক আগে জীবিকার খোঁজে ঢাকায় পাড়ি দেন। শুরু করেন ভ্যান চালানো। তিন বছর আগে স্ত্রী চাঁদনী বেগম (৩০), দুই ছেলে তামিম (১৬) ও রোকন (১৩) এবং পরে দেড় বছরের মেয়ে আয়েশাকে নিয়ে আসেন ঢাকায়।

সূত্রাপুরের কাগজি টোলায় পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় একটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন তারা। গড়ে উঠেছিল ছোট, কিন্তু আনন্দে ভরা এক পরিবার।

১১ জুলাই গভীর রাতে সেই বাসায় ঘটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সবাই ছিলেন ঘুমন্ত অবস্থায়। দগ্ধ হন পরিবারের পাঁচ সদস্যই। সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভর্তি করা হয় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে

  • ১৪ জুলাই: প্রথম মৃত্যু হয় শিশু আয়েশার।

  • ১৬ জুলাই: মারা যায় দুই ভাই, তামিম ও রোকন।

  • একই দিন: মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্সেই মারা যান মা চাঁদনী।

  • ১৮ জুলাই: মৃত্যুর একদিন পর রাতেই খবর আসে, রিপনও মারা গেছেন।

  • আয়েশা: জুরাইন কবরস্থানে

  • তামিম ও রোকন: যুগিরহাওলা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে

  • চাঁদনী: পিত্রালয় সামুদাবাদ গ্রামে

  • রিপন: দুই ছেলের পাশেই

রিপনের বৃদ্ধা মা জরিনা বেগম ছিলেন গ্রামের বাড়িতে। ছেলের পাঠানো টাকায় চলতো তার দিন। এখন একমাত্র ছেলেকেও হারিয়ে শোকে পাথর হয়ে গেছেন তিনি। বলার শক্তি নেই, শুধু ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছেন। কেবল একটাই কথা, “আল্লাহ ছাড়া আমার আর কেউ নাই…

স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম বলেন, “এটি হৃদয়বিদারক ঘটনা। একটি পরিবারের পাঁচজন একসাথে মারা গেছে। এমন মর্মান্তিক মৃত্যু আমরা কখনো দেখিনি। সরকারের উচিত রিপনের মায়ের পাশে দাঁড়ানো।”

রিপনের ফুফাতো ভাই সিরাজ হোসেন বলেন, “তারা খুব সাধারণ মানুষ ছিল। কীভাবে আগুন লাগল, এখনো কেউ নিশ্চিত না।”

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট