1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
জ্বালানি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ পায়রা সেতু টোলপ্লাজায় ঘুষ নিয়ে ওভারলোড ট্রাক ছাড়ায় টোল কালেক্টর বরখাস্ত পটুয়াখালিতে কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযানে ২৭৩ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, একজন আটক কলাপাড়ায় জেলেদের ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়ম: ৮০ কেজির বদলে মিলছে ৪৮-৫৮ কেজি ভোলায় কৃষক বাজারের আয়োজন, স্থানীয় কৃষকের পণ্যে সরগরম মেলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান অস্ত্রবিরতি: উভয় পক্ষের বিজয় দাবি, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার পথ সুগম ইরানে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলোর ওপর ৫০% শুল্কের ঘোষণা ট্রাম্পের হিজবুল্লাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি, ইসরাইল বলছে লেবাননে অভিযান অব্যাহত ইরান সংঘাতে অস্ত্রবিরতি স্বাগত: রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে প্রস্তুত ইউক্রেন, জানালেন জেলেনস্কি ইরান সংঘাতে হরমুজ প্রণালী অবরোধ: দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা ইউরোপীয় ইউনিয়নের

কলাপাড়ায় জেলেদের ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়ম: ৮০ কেজির বদলে মিলছে ৪৮-৫৮ কেজি

ঢাকা বুলেটিন ডিজিটাল ডেস্ক
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালির কলাপাড়া উপজেলার ধুলাসার ইউনিয়নে জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচির আওতায় জেলেদের জন্য বরাদ্দ ভিজিএফ চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্ধারিত ৮০ কেজি চালের পরিবর্তে ভুক্তভোগী জেলেদের হাতে পৌঁছাচ্ছে মাত্র ৪৮ থেকে ৫৮ কেজি। এছাড়া পরিবহন খরচের নামে জনপ্রতি ১০০ টাকা আদায় এবং ওজনে কারচুপির মাধ্যমে প্রায় ৩৬ মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় জেলেরা।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, জাটকা আহরণে বিরত থাকা নিবন্ধিত জেলেদের জীবিকা নির্বাহের সহায়তায় ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত চার মাসে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে মোট ১৬০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। ধুলাসার ইউনিয়নে এ কর্মসূচির আওতায় ১,৪৫০ জন জেলের জন্য প্রথম দুই মাসের ৮০ কেজি করে চাল বিতরণ কার্যক্রম সম্প্রতি শুরু হয়েছে।

কিন্তু সরেজমিন তদন্তে দেখা গেছে, বিতরণকেন্দ্রে জেলেদের কার্ড আটকে রেখে স্লিপের মাধ্যমে কম পরিমাণ চাল নিতে বাধ্য করা হচ্ছে। ৩০ ও ৫০ কেজির বস্তাগুলোতেও ২ থেকে ৩ কেজি করে ওজন কম দেওয়া হচ্ছে। ফলে প্রকৃতপক্ষে প্রতি জেলে পরিবার ৪৮ থেকে ৫৮ কেজি চাল পাচ্ছে। এছাড়া চাল পরিবহনের খরচের নামে জনপ্রতি নগদ ১০০ টাকা আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।

কাউয়ারচর গ্রামের ভুক্তভোগী জুয়েল হাওলাদার বলেন, “আমাকে ৩০ কেজির দুটি বস্তা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু প্রতিটিতেই অন্তত দেড় কেজি করে কম।” একই গ্রামের রেজাউল নামের আরেক জেলে জানান, “৫০ কেজির বস্তা পেয়েছি, তাতেও প্রায় ২ কেজি কম।” মতি মোল্লা, চান মিয়া মল্লিক, দুলাল বয়াতি ও দুলাল গাজীসহ আরও অনেকেই একই ধরনের অভিযোগ করেছেন।

জেলেদের অভিযোগ, ইউনিয়ন পরিষদে বসেই জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তাদের যোগসাজশে এই অনিয়ম চলছে। তবে ভয়ের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না। অভিযোগের সত্যতা পেলে মোট প্রায় ৩৬ মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।

এ বিষয়ে ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহিমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, “বিষয়টি আমি গণমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইয়াসিন সাদেক বলেন, “ঘটনাটি আমার নজরে এসেছে। চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বরাদ্দকৃত খাদ্য সহায়তা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানো সরকারের দায়িত্ব। বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে দুর্বল গোষ্ঠীর মানুষ সরকারি সহায়তার সুফল থেকে বঞ্চিত হন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট