
ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে স্পিডবোট দুর্ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় মেঘনা নদীর পাড় থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, নিহত ফখরুল ইসলাম লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মৎস্য অধিদপ্তরের তিন সদস্য, একজন পুলিশ কর্মকর্তা ও তিনজন কনস্টেবল একটি স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে অভিযানে যান। এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ ‘কর্ণফুলী-১২’-এর সঙ্গে সংঘর্ষে স্পিডবোটটি উল্টে যায়।
তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর স্পিডবোটে থাকা অন্যরা তীরে উঠতে সক্ষম হলেও কনস্টেবল ফখরুল ইসলাম নদীতে ডুবে নিখোঁজ হন। পরে তাঁকে উদ্ধারে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দুই দিন ধরে অভিযান চালায়।
ওসি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত একটি মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে স্থানীয়রা থানায় জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে পরিচয় নিশ্চিতের পর জানা যায়, সেটি নিখোঁজ কনস্টেবল ফখরুল ইসলামের।
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।