1. bulletindhaka9@gmail.com : ঢাকা বুলেটিন : ঢাকা বুলেটিন
  2. info@www.dhakabulletin.news : ঢাকা বুলেটিন :
রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
চর কুকরি-মুকরিতে স্থানীয় জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা প্রনয়ণ বিষয়ক কর্মশালা শুরু কাউয়াদীঘি হাওর পাড়ের কৃষকদের চিন্তার ভাঁজ শাকসু নির্বাচন বানচালের প্রতিবাদে বড়লেখা ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ শ্রীমঙ্গলে বিপুল পবিমান চোরাই ভারতীয় প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ মৌলভীবাজার-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে বাঁধায় অবরুদ্ধ মৌলভীবাজারে ৫৫৪টি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তায় “বডি অন”ক্যামেরার ব্যবহার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে গাঁজা-ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক দক্ষিণ কোরিয়া এআই নিয়ন্ত্রণে যুগান্তকারী আইন চালু করেছে, স্টার্টআপগুলি সম্মতি বোঝা নিয়ে উদ্বিগ্ন ফিলিপাইনস মিয়ানমারের রাজনৈতিক ও জাতিগত গোষ্ঠীগুলিকে ‘স্টেকহোল্ডার মিটিং’-এ স্বাগত জানিয়েছে

বিলুপ্তির পথে ভোলার সিনেমা হল, টিকে আছে মাত্র একটি

মোঃ সামিরুজ্জামান, বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

 

 

আধুনিক প্রযুক্তি, অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সহজলভ্যতা এবং পাইরেসির কারণে ভোলা জেলায় সিনেমা হলগুলো একে একে বন্ধ হয়ে গেছে। আশির দশক থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ভোলার সাত উপজেলায় অন্তত ২৭টি সিনেমা হল চালু ছিল। বর্তমানে চালু রয়েছে মাত্র একটি—ভোলা সদর উপজেলার রূপসী সিনেমা হল। তবে দর্শকশূন্যতা ও লোকসানের কারণে এটিও বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

একসময় ভোলা সদরেই ছিল অবসর, রূপসী ও অনুপম সিনেমা হল। বোরহানউদ্দিনে চালু ছিল রাজমনি, চিত্রমনি ও রূপালি। দৌলতখানে ছিল বিউটি, আনন্দ, ডায়মন্ড ও অন্তরা। লালমোহনে গড়ে উঠেছিল লালমনি, বিনোদন, মেঘনা, মধুচ্ছন্দা ও সংগীতা। তজুমদ্দিনে চলত স্বাধীন, শশী ও সখী। চরফ্যাশনে ছিল সাগরি, ফ্যাশন, সাগর, সবুজ, দুলারি ও রঙ্গিলা। মনপুরায় চালু ছিল সনি ও ঝলক। কিন্তু একে একে সব বন্ধ হয়ে গেছে। অধিকাংশ জায়গায় এখন বহুতল ভবন, মার্কেট, ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা দোকানপাট গড়ে উঠেছে। উদাহরণস্বরূপ, সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী অবসর সিনেমা হলের জায়গায় বর্তমানে “অবসর সেন্টার” নামে একটি মার্কেট স্থাপিত হয়েছে।

হল মালিকদের অভিযোগ, পাইরেসি এবং সামাজিক মাধ্যমের কারণে নতুন ছবি হলে আসার আগেই অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে দর্শকরা আর হলমুখী হচ্ছেন না। অবসর সিনেমা হলের সাবেক মালিক রাজিব চৌধুরী বলেন, “পাইরেসি না হলে হলগুলো বাঁচত। দর্শক অনলাইনে ফ্রি দেখে নিচ্ছেন।”

রূপসী সিনেমা হলের বর্তমান ম্যানেজার মো. ফিরোজ জানান, “প্রতিদিন আমাদের গড়ে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়, কিন্তু আয় হচ্ছে মাত্র ৬-৮ হাজার টাকা। কখনো কখনো ১৮-২০ জন দর্শক নিয়ে শো চালাতে হয়। এভাবে দীর্ঘদিন টিকে থাকা সম্ভব নয়।”

এদিকে দর্শকদের দাবি, পরিবারসমেত দেখার মতো সামাজিক ও মানসম্পন্ন ছবি নির্মাণ এবং পাইরেসি প্রতিরোধ করা গেলে সিনেমা হলগুলো আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে। জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজরুল হক অনু বলেন, “সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ ছাড়া এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব নয়।”

শুধু ভোলায় নয়, সারা দেশেই সিনেমা হলের সংখ্যা কমছে। ১৯৯৪ সালে দেশে প্রায় ১ হাজার ৪৩৫টি সিনেমা হল চালু ছিল। বর্তমানে সে সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬০টির মতো। ভোলার সংকট তারই প্রতিফলন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট