বরিশাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বহুতল ভবন থেকে পড়ে নাজমুল হক (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে আদালত ভবনের ছয়তলা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাঁকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নাজমুল হক নগরীর কাশিপুর এলাকার এনামুল হকের ছেলে। তিনি বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের ক্যাশিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার বিকেলে বরিশাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১০ তলা ভবনের ছয়তলার সামনের অংশ থেকে নিচে পড়ে যান নাজমুল হক। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বরিশাল কোর্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর তারক বিশ্বাস বলেন, আদালত ভবনের নিচে একজন পড়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে নাজমুল হককে গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, নাজমুল হক কীভাবে ভবন থেকে পড়ে গেলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁর মরদেহ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জানান, নাজমুল হক কী কারণে আদালত ভবনে গিয়েছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তিনি ভবনের ছয়তলা থেকে পড়ে মারা গেছেন। তবে এটি আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে—তা এখনো নিশ্চিত নয়।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে বিস্তারিত জানা যাবে।